বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন
কক্সবাজার ভয়েস, ফাইল ছবি জিকির উল্লাহ জিকু:
উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সপ্তাহ ধরে চলা সংঘর্ষ গোলাগুলি ও হতাহতের ঘটনায় ১২ জনকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার বিকাল থেকে আজ সকাল পর্যন্ত কুতুপালং ১নং ক্যাম্প এবং আশ পাশের ক্যাম্পে পুলিশ ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের (এপিবিএন) সদস্যরা অভিযান চালিয়ে এদের আটক করা হয়। আটককৃতরা সকলেই কুতুপালং শরনার্থী ক্যাম্পের রোহিঙ্গা এবং তাদের বিরুদ্ধে কুতুপালং শরনার্থী ক্যাম্পে গত এক সপ্তাহ ধরে সংঘর্ষ গোলাগুলি ও খুনখারাবির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে বলে উখিয়া থানার পরিদর্শক তদন্ত গাজী সালাউদ্দীন জানিয়েছেন।
গত ৩০ সেপ্টেম্বরের পর থেকে কুতুপালং শরনার্থী শিবিরে রোহিঙ্গাদের দুটি সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে চলা সংঘাতে এ পর্যন্ত এ মহিলা সহ ৮ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে শতাধিক রোহিঙ্গা। ঘরবাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে কমপক্ষে দেড় শতাধিক। নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশী বাসিন্দা রয়েছে। সে পেশায় গাড়ির ড্রাইভার। তার নাম নুরুল হুদা। সে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের বাসিন্দা। মঙ্গলবার বিকেলে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পারিবারিক অনুষ্ঠানে গিয়ে রোহিঙ্গাদের সংঘর্ষের মাঝখানে পড়ে মারা যায় বলে জানিয়েছে নিহতের ভাই ইসমাঈল। উখিয়া থানার পুলিশ জানান ক্যাম্পে হতাহতের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫ টি মামলা হয়েছে।
এদিকে কুতুপালং শরনার্থী ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের আটকের জন্য আরো অভিযান চালানো হবে জানিয়েছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ এর ডিআইজি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজার পুলিশ রেস্ট হাউসে গণমাধ্যমের সাথে সাথে আলাপ কালে জানান কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে যা করা দরকার সবই করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথ ভাবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রাখবে। পুলিশ চেষ্টা করবে এ ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয়।
ভয়েস/জেইউ।