বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৭ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

শপিংমলগুলোতে পূজোর আমেজ, শেষদিনে কেনাকাটায় ব্যস্ততা

শহরের একটি দোকানে কেনাকাটায় ব্যস্ত সনাতনী ধর্মলম্বী এক পরিবার

এম.এ আজিজ রাসেল:

২২ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব

করোনা সংকটের কারণে পূজা উদযাপনে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে হবে শারদীয় দূর্গাপূজা। উৎসবকে কেন্দ্র করে জেলার মার্কেটগুলোতে জমে উঠেছে বেচাকেনা। পূজোয় নিজেদের বর্ণিলভাবে রাঙাতে হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ অভিজাত শপিংমলগুলো চষে বেড়াচ্ছে। পরিবার ও নিজের জন্য পছন্দের পোষাক কিনতে ব্যস্ততার যেন শেষ নেই। এতে বেশ ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে ব্যবসায়ীরাও।

বুধবার (২১ অক্টোবর) শহরের এ.ছালাম শপিং কমপ্লেক্স, ফিরোজা শপিং কমপ্লেক্স, সমবায় সুপার মার্কেট, নিউ মার্কেট, আপন টাওয়ারসহ প্রসিদ্ধ বিপনী বিতান ঘুরে দেখা যায়, পূজায় নতুন জামা কাপড় কিনতে ফুটপাতসহ সর্বত্রই লেগেছে কেনাকাটার ধুম। নতুন কাপড়ের সাথে সাথে জুতার দোকানেও ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষণীয়। পূজার দিন ঘনিয়ে আসায় ব্যস্ত হচ্ছেন দোকানীরা। বর্তমানে শেষ মুহূর্তে ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর মার্কেটগুলো। এবারের পূজার বাজারে- মহিলাদের জামদানী ও কাতান শাড়ি, মেয়েদের থ্রী পিস, সেলোয়ার-কামিজ, ফতোয়া, স্কার্ট-টপস, ছেলেদের প্যান্ট, শার্ট, লং ও শর্ট পাঞ্জাবি, ফতোয়া, শার্ট, জিন্স ও টি-শার্টসহ বাচ্চাদের নানা রঙ ও ডিজাইনের পোশাকের সমাহার ঘটেছে বিভিন্ন পোশাক বিপণীতে।

এ.ছালাম শপিং কমপ্লেক্সের রামু বস্ত্র বিপনীর কর্ণধার গিয়াস উদ্দিন বলেন, পূজার দিন ঘনিয়ে আসায় এখন বেচা বিক্রি জমে উঠেছে। নারীরা থ্রি পিছ ও শাড়ি কিনছে বেশি।

একই মার্কেটের ব্যবসায়ী ফরহাদ জানান, পূজা উপলক্ষে স্কার্ট-টপস, থ্রি-পিস বিক্রি হচ্ছে। তবে মহামারি করোনা ভাইরাসের কারনে অন্য বছরের তুলনায় এবার বিক্রি কম হচ্ছে। আগের বছরগুলোতে ১০ দিন আগে থেকেই পূজোর বাজার জমে উঠে। এবার তা দেখা যায়নি।

ফিরোজা শপিং কমপ্লেক্সের পরীস্থানের কর্ণধার মো. খোরশেদ আলম বলেন, এখন গরম যেমন আছে, তেমনি বৃষ্টির আসা-যাওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখেই ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী ভালো পণ্য আর সুলভ মূল্যকে বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

পরিবার নিয়ে বাজার করতে আসা মিতালী ধর জানান, কয়েকদিন আগ থেকে বাচ্চাদের জন্য কেনাকাটার প্রস্তুতি ছিলো! কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারনে বাজারে বের হতে ভয় হচ্ছিলো। বছরে একবার পূজা আসে তাই ভয়কে উপেক্ষা করে পরিবারের বাচ্চাদের জন্য কেনাকাটা করতে এসেছি। বাচ্চাদের জামাকাপড় কেনা শেষ হলে পরিবারের বড় সদস্যদের কেনাকাটা হবে।

আপন টাওয়ারে শার্ট কিনতে যাওয়া ক্রেতা দীপক দাশ জানান, আজ থেকে পূজো শুরু হচ্ছে। পরিবারের জন্য আগেই সব কিনে নিয়েছি। আজ নিজের জন্য কিনলাম। আশা করছি এবার পূজো ভাল কাটবে সবার।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION