বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

শোভাযাত্রা বিহীন সৈকতে প্রতিমা বিসর্জন

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে প্রতীমা বিসর্জন দেয়ার একটি মুহুর্ত। ছবি কক্সবাজার ভয়েস

ভয়েস প্রতিবেদক :

প্রতিমা বিসর্জণের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দূর্গা পুজার। এটি দেশের সবচেয়ে বড় প্রতিমা বিসর্জন গুলোর মধ্যে অন্যতম।

তবে এইবার করোনা মহামারীর কারণে শোভাযাত্রা বিহীন বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে। ছিল না রং ছিটানো ও আতশবাজি ফুটানোর খেলা। এছাড়া ছিলনা তেমন কোন আনুষ্ঠানিকতাও। এরপরও বিসর্জন উপলক্ষে সৈকতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা ছাড়াও মুসলিম ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের হাজার হাজার মানুষের মিলন মেলায় পরিনত হয় সমুদ্র সৈকত।
এবছর কক্সবাজার জেলার সদর, রামু, উখিয়া উপজেলা সহ আশপাশের এলাকা থেকে আসা প্রতিমা গুলো সৈকতে বিসর্জন দেয়া হয়।  স্ব স্ব মন্ডপ থেকে প্রতিমা গুলো এনে সৈকতের লাবনী পয়েন্টে বিসর্জন দেয়া হয়।

কক্সবাজার জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রনজিত দাশ কক্সবাজার ভয়েসকে জানান, কক্সবাজার সৈকতে এবার তিন শতাধিক প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়েছে।

এ উপলক্ষে কক্সবাজার সৈকতে সনাতন ধর্মাবলম্বীর লোকজন ছাড়াও বিভিন্ন ধর্ম বর্ণের লোকজনের সমাগম ঘটে। তবে তা অন্যান্য বছরের তুলনায় কম বলে জানান আগতরা।

সোমবার দুপুরের পর থেকে সব নিয়ম-নীতি মেনে ট্রাক যোগে লাবণী পয়েন্টে একে একে আনা হয় প্রতীমা। এরপর ভক্তদের কাঁধে চড়ে সৈকতের লাবণী পয়েন্টে প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বিসর্জনের জন্য।

প্রতীমা বিসর্জনে জেলা পুলিশ, ডিবি পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্য, ফায়ার সার্ভিস বাহিনী ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ট্যুরিস্ট পুলিশের উদ্যোগে সৈকতপাড়ে নির্মিত করা হয় বেশকয়েকটি অস্থায়ী পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। সেই সব টাওয়ার থেকেই পুরো সৈকতের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করা হয়। সব মিলিয়ে এবার সৈকত পাড়ে পুরো কক্সবাজার জেলার প্রতিমা বিসর্জন অনেকটাই ফিকে।

সোমবার সকাল থেকেই সৈকতপাড়ে কিছু ভক্ত দর্শনার্থী আসলেও তাঁদের চোখে মুখে ছিল বিষাদের সুর।

সৈকত পয়েন্ট গুলোতে ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া প্রশাসনিক নিরাপত্তা।

সব মিলিয়ে টানা পাঁচদিন মৃন্ময়ীরূপে মন্ডপে মন্ডপে থেকে আজ ফিরে গেছেন কৈলাশে স্বামী শিবের সান্নিধ্যে। দূর কৈলাশ ছেড়ে মা পিতৃগৃহে আসেন দোলায় চড়ে। আজ সোমবার বিজয়া দশমীতে বিদায় নিবেন ঘোড়ায় চেপে।

বিজয়া দশমীর বিসর্জন অনুষ্ঠানে কক্সবাজার সদর আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, কক্সবাজার শহরের পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান, পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION