বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৭ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিত করার তাগিদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মাতারবাড়িতে প্রধানমন্ত্রী, পরিদর্শন করবেন কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গভীর সমুদ্রবন্দর পুটিবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ সাময়িক বরখাস্ত আন্তর্জাতিক এ্যামোনেষ্টির হিউম্যান রাইটস একাডেমি থেকে বিরল সম্মাননা অর্জন করলেন ফারুক ইকবাল  টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় স্বাধীন, শক্তিশালী গণমাধ্যমের বিকল্প নেই: মির্জা ফখরুল প্যারাসেইলিং মালিক ফরিদ ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগের উঁকিঝুঁকিকে গুরুত্ব দিচ্ছেনা সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈকতে পানিতে ডুবে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

ভারতে ছড়াচ্ছে নোরোভাইরাস!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

করোনার সংক্রমণ বাড়ার মধ্যেই ভারতে খোঁজ মিলেছে নোরোভাইরাসের। ইতোমধ্যেই কেরালায় দুই শিশুর মধ্যে ভাইরাসটি পাওয়া গেছে। তাই সবাইকে সতর্ক করেছে সংশ্লিষ্টরা।

এই প্রসঙ্গে কলকাতার ঢাকুরিয়া আমরি হাসপাতালের বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. রুদ্রজিৎ পাল বলেন, নোরোভাইরাস অনেকদিন ধরেই রয়েছে। সাধারণত বড় বড় জাহাজে এই ভাইরাস আগে মিলত। এখন তো যেকোনো জায়গাতেই মিলছে।

তিনি আরও বলেন, এটি হলো আরএনএ ভাইরাস। ভাইরাসটি মূলত পেটে হামলা চালায়। আরও নির্দিষ্ট করে বললে পাকস্থলী, খাদ্যনালীতে এই ভাইরাস হামলা চালায়।

​কীভাবে ছড়ায়?
এ প্রসঙ্গে ডা. পাল জানান, খাবার, পানি ইত্যাদির মধ্যে এই ভাইরাস এসে মেশে। তারপর তা মানুষের শরীরে প্রবেশ করে সমস্যা তৈরি করে। তাই এখন থেকেই খাবার খাওয়ার আগে সতর্ক হতে হবে।

ভাইরাসের লক্ষণ
নোরোভাইরাস সাধারণত পেটেই আঘাত আনে। তাই সমস্যা হয় পেটেই। এর লক্ষণ সম্পর্কে ডা. পাল জানান-

১. পেটে ব্যথা।

২. লাগাতার বমি হতে পারে।

৩. লুজ মোশান হতে পারে।

৪. থাকতে পারে জ্বর।

৫. শরীরে ব্যাথাও থাকা সম্ভব।

কীভাবে রোগ নির্ণয়?
ভাইরাসে আক্রান্তের বিষয়ে নিশ্চিত হতে হলে পিসিআর টেস্ট করা হয়। এক্ষেত্রে আক্রান্তের মল, বমির নমুনা সংগ্রহ করা যেতে পারে। আবার চাইলে খাবারের নমুনাও সংগ্রহ করে টেস্ট করা যায়। দুই ক্ষেত্রেই মিলতে পারে সঠিক ফল। তাই চিন্তার কোনো কারণ নেই।

​চিকিৎসা কী?
এই রোগের চিকিৎসা সম্পর্কে এখন বেশি কিছু জানা যায়নি। এক্ষেত্রে লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা চালাতে হয়। অর্থাৎ পেট ব্যাথার জন্য এক ধরনের ওষুধ, বমির জন্য ওষুধ এবং পেট খারাপ থাকলে সেজন্য ওষুধ। এভাবে সিম্পটোমেটিক চিকিৎসা চালাতে হয়। আশার কথা হলো, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগী সুস্থ হয়ে যান বলে জানান ডা. পাল।

​রোগ প্রতিরোধে

১. হাত ভালো করে ধোয়া।

২. বাসন ঠিকমতো পরিষ্কার করা।

৩. বিশুদ্ধ পানি পান করা।

৪. বিশুদ্ধ পানি দিয়ে রান্না করা।

৫. পুষ্টিকর খাবার খাওয়া।

বিষয়গুলো মেনে চললেই এই রোগ থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION