সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬, ০৭:২১ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
মহেশখালীতে বিশেষ অভিযানে অনলাইন জুয়ার দুই এজেন্ট গ্রেফতার নেপাল ৪০ দেশের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আমন্ত্রিত হলেন ইরফান উদ্দিন ইরো প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে এখনো আওয়ামী লীগ আমলের আধিপাত্য ধরে রেখেছে দোসর ফারুক! জামায়াতে ইসলামী ফেরেশতাদের দল নয়: ডা. শফিকুর রহমান সম্ভাব্য আলোচনায় রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির সিনিয়র ৩ নেতা স্পিকার হাফিজ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি ইসির আইন-বিধি সংশোধন প্রস্তাব চূড়ান্ত:স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মামদানি জানালেন নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে আইনি সীমাবদ্ধতার কথা

টেকনাফে পাচারকারীর ফেলে যাওয়া বস্তায় পাওয়া গেল সাড়ে ৪ লাখ পিস ইয়াবা

ভয়েস প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে পাচারকারীর ফেলে যাওয়া বস্তার ভেতর থেকে ৪ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার (২২ জানুয়ারি) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ ২ (বিজিবি) ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান।

তিনি জানান, মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লেদা বিওপির আওতাভুক্ত বিআরএম-১১ থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দক্ষিণ দিকে মেম্বার পোস্ট নামক এলাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পাচার হবে, এমন তথ্যে ব্যাটালিয়ন সদর ও লেদা বিওপি থেকে পৃথক দুটি দল মেম্বার পোস্ট এলাকাসংলগ্ন নাফ নদের পারে অভিযান চালায়। এ সময় মাদক পাচারকারী দলের কয়েকজন সদস্য দুটি বস্তা ফেলে নদী সাঁতরে সীমান্তের ওপারে পালিয়ে যায়।

অন্য কিছু ব্যক্তি কয়েকটি বস্তা নিয়ে আলিখালের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া করলে তারা রাতের আঁধারের সুযোগে বস্তাগুলো বিক্ষিপ্তভাবে ফেলে খরের দ্বীপ হয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। তাদের ফেলে যাওয়া বস্তাগুলোয় বিশেষভাবে প্যাকেটজাত ৪ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।

ব্যাটালিয়ন দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক পাচার এবং চোরাচালান রোধকল্পে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি, সীমান্তে কার্যকর টহল ও নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে বিগত কয়েক সপ্তাহে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধারের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আসামি আটক করে থানায় সোর্পদ করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও জানান, অভিযান চলাকালে মাদক বহনে বাংলাদেশি কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া না গেলেও জড়িতদের খোঁজে অনুসন্ধান চলছে।
ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION