বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩০ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার নির্বাচন: অক্টোবরে প্রস্তুতি, নভেম্বরে ভোট নেপাল-তিব্বতে বন্যা ও ভূমিধসে নিহত বেড়ে ১৬৫, নিখোঁজ ১৫০০ মহানবী (সা.)-এর শুভাগমন মানবসভ্যতার ইতিহাসে মহিমান্বিত ঘটনা: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের ৯ বছর: ফেরা অনিশ্চিত, বাড়ছে অপরাধ, ফুরাচ্ছে খাদ্য-তহবিল রোহিঙ্গাদের সম্মানজনক প্রত্যাবাসনের পথেই হাঁটছে বাংলাদেশ-পররাস্ট্র সচিব বহুল আলোচিত নুসরাত হত্যা: ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল সাড়ে ৫০০ ভিডিও সরিয়ে ফেলার নির্দেশ সম্মানহানির কবলে শ্রীদেবীকন্যা টেকনাফে আইসসহ মিয়ানমার নাগরিক আটক রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ১০ বছর যেন ২০ বছরে পরিণত না হয়: শামা ওবায়েদ

টেকনাফে মায়ের মরদেহ বাড়িতে রেখে পরীক্ষা দিলো দুই বোন

ভয়েস প্রতিবেদক, টেকনাফ:

টেকনাফে মায়ের মরদেহ বাড়িতে রেখে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে দুই বোন। মঙ্গলবার (২ মে) বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার দিন এ ঘটনা ঘটে। এর আগে ভোর ৪টার দিকে তাদের মা আনোয়ারা বেগম (৪৯) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

সাদিয়া ও সাদেকা উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের খোয়াইছড়ি পাড়ার জহির আহমদের মেয়ে। সাবরাং উচ্চবিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিয়া ও সাদেকা টেকনাফ এজাহার বালিকা সরকারি বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়।

মায়ের মরদেহ রেখে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসা দুই বোনকে সান্ত্বনা দিতে কেন্দ্রে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।

ইউএনও মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ‘মায়ের মরদেহ ঘরে রেখে পরীক্ষার কেন্দ্রে বসা সন্তানের জন্য অনেক বেশি কঠিন। ঘটনাটি আসলে হৃদয় বিদারক। চেষ্টা করেছি তাদের সান্ত্বনা দিয়ে অন্তত মানসিক সাপোর্ট দেওয়ার জন্য।’

সাবরাং উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মফিজ উদ দৌলা বলেন, ‘সকালে আমার বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী দুই বোনের মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে তাদের বাড়িতে যাই। দুই মেয়েকে বুঝিয়ে সান্ত্বনা দিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেছি। সার্বক্ষণিক ওই দুই মেয়ের খবর রেখেছি।’

এজাহার সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রের হল সুপার লম্বরী মলকাবানু উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইসমাইল বলেন, ‘ইউএনও স্যারের নির্দেশনায় পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত দুই বোনের দেখাশোনা করেছি। দুই বোন পরীক্ষার হলে স্বাভাবিক ছিল। তবে পরীক্ষা শেষে কান্নাকাটি করতে করতে বের হয়েছে।’

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION