শনিবার, ২৭ Jun ২০২৬, ০৪:০৩ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

যুদ্ধবিরতিতে সম্মত আজারবাইজান-আর্মেনিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

পূর্বঘোষিত মানবিক যুদ্ধবিরতির মধ্যে তুমুল লড়াইয়ের পর অবশেষ তা কার্যকরে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া সম্মত হয়েছে।শনিবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকরের কথা বলা হলেও অবশ্য তা লঙ্ঘনে পরস্পরকে দায়ী করেছে দু’পক্ষ।

আলজাজিরা জানায়, রাশিয়ার মধ্যস্থতায় এই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। দু’পক্ষকে কঠোরভাবে এই যুদ্ধবিরতি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ।

এদিকে যুদ্ধবিরতি নিয়ে ফ্রান্সও বিবৃতিতে দিয়েছে। এতে বলা হয়, মিনস্ক গ্রুপের কো-চেয়ার রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে ফরাসি মধ্যস্থতার পর এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

আর্মেনিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজান স্থানীয় সময় ১৮ অক্টোবরের জিরো আওয়ার থেকে মানবিক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে। পরে আজারবাইজানও এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এদিকে মধ্যরাত থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের কয়েক ঘণ্টা পর আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে মুখপাত্র সুশান স্টেপানিয়ান তা লঙ্ঘনের অভিযোগ করে আজারবাইজানের বিরুদ্ধে। আজারবাইজানও পাল্টা অভিযোগ তোলে।

এর আগে দুই দেশ তীব্র লড়াই জড়িয়ে পড়ে। শুক্রবার রাতে আজারবাইজানের দ্বিতীয় বৃহত্তম গানজা শহরে আর্মেনিয়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালে দুই শিশুসহ ১৩ বেসামরিক আজেরি নিহত হন। আহত হন ৪০ জনের বেশি।

জবাবে শনিবার আর্মেনিয়া অধিকৃত অঞ্চলে ব্যাপক হামলা চালায় আজেরি সেনারা। এদিন তারা দক্ষিণাঞ্চলীয় সবচেয়ে জনবহুল শহর ফিজুলি পুনরুদ্ধার করে যা প্রায় ৩০ বছর আর্মেনিয়ার দখল করে রেখেছিল।

আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান উভয় দেশই সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিল। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর তারা দুটি স্বাধীন দেশে পরিণত হয়। প্রায় চার দশক ধরে নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে প্রতিবেশী দেশ দুটির মধ্যে বিরোধ চলছে।

নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চলকে আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের এলাকা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলেও এটি এখনো আর্মেনীয় নৃগোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION