শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
কক্সবাজার বিমানবন্দরে নিরাপত্তা মহড়া: ঢাকা-কক্সবাজারগামী বিমানে বোমা, নিরাপদে যাত্রীদের উদ্ধার সোনারপাড়া সৈকতে ফুলেল মানচিত্রে খালেদা জিয়ার প্রতি ব্যতিক্রমধর্মী শ্রদ্ধা তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল সন্তানের প্রতি দ্বীনি দায়িত্ব পালনে ইব্রাহিম (আ.) মায়ের প্রতি দেশবাসীর ভালোবাসা ও বৈশ্বিক শ্রদ্ধায় তারেক রহমানের কৃতজ্ঞতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আর নেই ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র জমা টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, ৬০টির বেশি ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই রাতভর গোলাগুলির বিকট শব্দে মিয়ানমার সীমান্তে আতঙ্ক এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন তাজনূভা জাবীন

টেকনাফে নির্মিত হচ্ছে ৩শ’ শয্যা বিশিষ্ট ২টি আইসোলেশন হাসপাতাল

এম.আবদুল হক, টেকনাফ:

টেকনাফে পৃথকভাবে নির্মিত হচ্ছে ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট দুটি আইসোলেশন হাসপাতাল।আপাতত করোনা রোগীদের এই দুই হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা আইওএমের অর্থায়নে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট ও আইসিডিডিআর’বির অর্থায়নে ২০০ শয্যা বিশিষ্ট পৃথক দুটি আইসোলেশন হাসপাতাল নির্মাণ করা হচ্ছে।
আইওএম কতৃক হাসপাতালটি তৈরি হচ্ছে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদার অস্থায়ী রোহিঙ্গা শিবিরে।অপরদিকে আইসিডিডিআর’বির কতৃক হাসপাতালটি তৈরি হচ্ছে উপজেলার আইসিডিডিআর’বির ডায়রিয়া হাসপাতাল কমপ্লেক্সে।

হাসপাতাল দুটির অবকাঠামোর কাজ চলছে দ্রুত গতিতে।ইতিমধ্যে আইওএম কতৃক নির্মানাধীন হাসপাতালের কাজ এই মাসের শেষের দিকে শেষ হবে।আগামী মাসের শুরু থেকে পুরোদমে চিকিৎসা সেবাচলবে। অপরদিকেআইসিডিডিআর’বি কতৃক হাসপাতালের কাজও চলছে দ্রুত গতিতে।আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে এই হাসপাতালের কাজ শেষ হতে পারে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহি অফিসার সাইফুল ইসলাম সাইফ বলেন, টেকনাফের বিপুল স্থানীয় ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ভবিষ্যৎ চিন্তা করে পৃথকভাবে ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট দুটি আইসোলেশন হাসপাতাল তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী উভয়কে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে পৃথক এই দুই হাসপাতালে।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ টিটু চন্দ্র শীল বলেন, টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে এখনও পর্যন্ত কোন রোহিঙ্গা করোনায় আক্রান্ত হয়নি। তবে উপজেলাতে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬ জন। করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের ভবিষৎ চিন্তা করে টেকনাফে পৃথক দুটি আইসোলেশন হাসপাতাল নির্মাণ করা হচ্ছে । লেদা রোহিঙ্গা শিবিরে আইওএম কতৃক নির্মিত ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে রোহিঙ্গা জনগোষ্টি ছাড়াও শিবির সংলগ্ন পার্শ্ববর্তী স্থানীয় জনগোষ্ঠীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।অপরদিকে আইসিডিডিআর’বি কতৃক নির্মিত ২০০ শয্যা বিশিষ্ট আইসোলেশন হাসপাতালে উপজেলার স্থানীয়দের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION