শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ন
হাসান মাহমুদ, ফাইল ছবি। ভয়েস নিউজ ডেস্ক:
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ভারতের সঙ্গে শুধুমাত্র পণ্য পরিবহন চালু রয়েছে, কার্যত সীমান্ত চালু নেই।
রবিবার (২৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে আয়োজিত সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের জরুরি বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।
হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের কোনও মানুষ ভারতে যেতে পারছেন না, আবার কেউ আসতেও পারছেন না। ভারতের সঙ্গে সীমান্ত কার্যত যেভাবে চালু থাকে সেভাবে চালু নেই।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ভারতের সঙ্গে পণ্য পরিবহন চালু আছে। মির্জা ফখরুল কী পণ্য পরিবহনও বন্ধ করে দিতে বলেছেন। যাতে বাংলাদেশে পণ্যের সঙ্কট পড়ে। তিনি বুদ্ধিমান মানুষ, তিনি বুদ্ধি করেই বলেছেন। যাতে দেশে একটি সঙ্কট তৈরি হয়। কার্যত সীমান্ত চালু নেই, শুধু পণ্য পরিবহন চালু আছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, সরকার লকডাউন দেয়ার পর বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে লকডাউন না দেওয়ার জন্য। দোকান খোলার জন্যও বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। সরকারকে তো জীবন-জীবিকা দুটোই রক্ষা করতে হবে। এ দুটো রক্ষার মধ্যে সমন্বয় করতে হবে। বিশ্বব্যাপী এটি প্রশংসিত হয়েছে। সরকার প্রথম দফা যখন লকডাউন দেয় তখনও এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। তখন নানা আলোচনা-সমালোচনা, বিশেষজ্ঞদের মত-অভিমত আমরা দেখেছি।
‘বাস্তবতা হচ্ছে প্রথম দফা করোনা মহামারির মধ্যে জীবন এবং জীবিকা রক্ষাকে সমন্বয় করে অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে কাজ করেছে। সে কারণে বাংলাদেশ প্রথম দফা মহামারির ঢেউ যেমন সফলভাবে অনেক দেশের তুলনায় মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে, একই সঙ্গে অর্থনীতিকে রক্ষা করতে সরকার সক্ষম হয়েছে।
পৃথিবীর মাত্র ২০টি দেশে পজিটিভ গ্রোথ অর্জন হয়েছে গত বছর। তার মধ্যে বাংলাদেশ একটি এবং বাংলাদেশ সেখানে তিন নম্বরে রয়েছে। যে দুইটি দেশ আমাদের আগে আছে সেগুলো হলো সাউথ সুদান এবং গায়ানা। তাদের অর্থনীতি খুবই ছোট এবং জনসংখ্যা কম। সেই তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান এক নম্বরে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, এখনো খেটে খাওয়া মানুষের অনেক কষ্ট হচ্ছে এবং দেশের কয়েক কোটি মানুষ দোকানের ওপর নির্ভরশীল, সামনে ঈদ। এগুলো বিবেচনায় রাখতে হয়। সেজন্য সরকার সীমিত আকারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এগুলো খোলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সূত্র:বাংলাট্রিবিউন।
ভয়েস/জেইউ।