শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
লবণের ট্রাকে মিলল ১লাখ পিস ইয়াবা: ইয়াবাকারবারি ও ডাকাতসহ ৪জন গ্রেপ্তার ইরান যুদ্ধের সময় ‘গোপনে’ আমিরাত সফরের কথা জানালেন নেতানিয়াহু, ‘আগেই জানতো’ তেহরান টেকনাফ পৌর বিএনপির নেতা আবদুর জব্বার বহিষ্কার ‘মানুষ আপনার বয়স নিয়ে আপনার চেয়েও অধিক চিন্তিত’ মেসির জোড়ায় ৮ গোলের ম্যাচে জিতেছে ইন্টার মায়ামি বিধবা বিয়ের বিষয়ে যা বলে ইসলাম বিশ্বকাপের অলটাইম র‍্যাঙ্কিং: সবার ওপরে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা কোথায় অক্ষত ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র: ফুরিয়ে আসছে মার্কিন অস্ত্রভাণ্ডার? কক্সবাজার সায়মনের মালিক ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আর নেই বেন্তোর ভুলে রোনালদোর শিরোপা জয়ের অপেক্ষা বাড়লো!

স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি নিয়ে ঢালাওভাবে বললে হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক (ফাইল ফটো)

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

স্বাস্থ্য খাতে ঢালাওভাবে দুর্নীতির অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘কোথায় করাপশন হয়েছে তা সুনির্দিষ্ট করে বলতে হবে। ঢালাও অ্যালিগেশন উইল নট বি এক্সসেপ্টটেড।’

বুধবার (৩০ জুন) সংসদে বাজেট পাসের প্রক্রিয়ার সময় বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন ছাঁটাই প্রস্তাবের জবাব দিতে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে জাতীয় পার্টি, বিএনপি ও গণফোরামের সদস্যরা ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর তাদের বক্তব্য দেন।

সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি নিয়ে ঢালাওভাবে বললে হবে না। ঢালাওভাবে করাপশনের কথা বললে তো হবে না। দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দিতে হবে। মাস্কের কথা বলছেন, সেই মাস্ক কোনোদিনই কেনা হয়নি। পেমেন্ট করা হয়নি। রিসিভ করা হয়নি। কিন্তু মাস্কের কথা আসছে। হুইজ ইজ রং। ভালো করে খতিয়ে দেখে সঠিক কথাটি বলবেন।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য দেওয়ার সময় সংসদ সদস্যদের চিৎকার ও চেঁচামেচি করতে দেখা যায়।

আগামী বছরের প্রথম কোয়ার্টারের মধ্যে ৮০ শতাংশ মানুষ টিকার আওতায়

ভ্যাকসিন সংগ্রহ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভ্যাকসিন আমরা আনার চেষ্টা করছি। আগামী ২/৩ তারিখের মধ্যে ২৫ লাখ মডার্নার ভ্যাকসিন চলে আসবে। চীনের ভ্যাকসিনও একই সময়ে চলে আসবে। কোভ্যাক্স থেকে আমরা ৬ কোটি ৩০ লাখ ভ্যাকসিন ডিসেম্বরের মধ্যে পাবো। সিনোফার্মার সঙ্গে চীনা দেড় কোটি ভ্যাকসিনের চুক্তি হয়েছে। সব মিলিয়ে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১০ কোটি ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা রয়েছে। এটা দিয়ে আমরা ৫ কোটি মানুষকে টিকা দিতে পারবো। জনসন অ্যান্ড জনসনকে রিসেন্টলি অনুমতি দিয়েছি, সেখানকার ৭ কোটি ভ্যাকসিন দিয়ে ৭ কোটি মানুষকে টিকা দিতে পারবো। আগামী বছরের প্রথম কোয়ার্টারে পাবো। সব মিলিয়ে আগামী বছরের প্রথম কোয়ার্টারের মধ্যে ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে পারবো।’

এডিপি ১৫০ শতাংশ বাস্তবায়ন

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের স্বাস্থ্যসেবার সব স্বাভাবিক কাজের পাশাপাশি করোনার চিকিৎসা চলছে। প্রায় এক কোটি লোককে আমরা ভ্যাকসিন দিয়েছি। সেখানে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার কাজ হয়েছে। কোভিড-১ টেস্ট প্রায় ৫০ লাখ মানুষের করেছি। সেখানে দুই হাজার কোটি টাকার কাজ হয়েছে। এক লাখ করোনার রোগীকে চিকিৎসা দিয়েছি। সেখানে দুই হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এসব কাজ আমরা করেছি বিনামূল্যেই। অক্সিজেন সেন্টার হয়েছে ১০০টি, ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে ১০০টি। আরও অন্যান্য অতিরিক্ত কাজ হয়েছে। এ বছরে এডিপির ১২ হাজার কোটি টাকার বাজেট ছিল। ভ্যাকসিন বাদ দিলে এর ৮৫ শতাংশ অর্জন হবে। ভ্যাকসিনের ৮ হাজার কোটি টাকা ধরা হলে, সেটা ১৫০ শতাংশ আমাদের অর্জন। এই হিসাবটা আমরা করি না।’

টেকনিশিয়ান নিয়োগ শিগগিরই

জনশক্তির ঘাটতি থাকার কথা উল্লেখ করে জাহিদ মালেক বলেন, ‘এই করোনার মধ্যেও আমরা চিকিৎসক, নার্সসহ ২০ হাজার লোক নিয়োগ দিয়েছি। টেকনিশিয়ান নিয়োগ চলমান রয়েছে। এটা নিয়ে একটা জটিলতা হয়েছিল। অল্প দিনের মধ্যে আমরা এটা সম্পন্ন করতে পারবো।’ মামলার কারণে নিয়োগে কিছুটা সমস্যা হয়েছে বলে তিনি জানান।

হাসপাতালে বেহাল অবস্থার দায় এমপিদেরও বর্তায়

হাসপাতালে বেহাল অবস্থার অভিযোগের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সব এমপি তো হাসপাতালের চেয়ার। উন্নয়ন কমিটির সাথে আমরা জড়িত। আপনারা প্রত্যেকে দায়িত্বে আছেন। এই বিষয়গুলো আপনাদেরই দেখার কথা। মেশিন চলে না। লোক লাগবে। এগুলো তো আপনাদের দেখতে হবে। কিন্তু আপনারা তো সেটা দেখেন না। নার্স, ডাক্তার বা যন্ত্রপাতি লাগলে তো আপনাদেরই বলতে হবে। শুধু অভিযোগ দিলে তো হবে না। যা যা প্রয়োজন আছে তার ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু চেয়ারম্যান হিসেবে এগুলো দেখার দায়িত্ব আপনাদের ওপর বর্তায়।’

দেশে চিকিৎসা নিয়েই তো ভালো আছেন

সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ করে মন্ত্রী বলেন, ‘সব লকডাউন। আপনারা কেউ তো বাইরে (দেশের বাইরে) যেতে পারেননি। সেবা কোথায় নিচ্ছেন? সব বাংলাদেশের হাসপাতালেই সেবা নিচ্ছেন। যেতে তো পারছেন না কোথাও। হাসপাতাল সেই সেবা দিতে পারে বিধায় আপনারা সেবা নিচ্ছেন। ভালো আছেন।’ সূত্র:বাংলাট্রিবিউন।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION