শনিবার, ২৭ Jun ২০২৬, ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য: ১৩ আ’লীগ নেতা বহিস্কার

বিশেষ প্রতিবেদক:

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হওয়ায় কক্সবাজারে ১১জন চেয়ারম্যান প্রার্থী সহ ১৩জন আওয়ামীলীগ নেতাকে বহিস্কার করা হয়েছে।বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এম এ মনজুর সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। এতে বলা হয়েছে দলের কেন্দ্রীয় হাই কমান্ডের নির্দেশনা মোতাবেক জেলা আওয়ামী লীগ তাদের বহিস্কার করেছে। একই সাথে দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় টেকনাফ ও মহেশখালীতে আরও দুইজন আওয়ামী লীগ নেতাকেও বহিস্কার করা হয়েছে।

বহিস্কৃত এসব বিদ্রোহী প্রার্থীরা হলেন- কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের বিদ্রোহী প্রার্থী এবং বর্তমান চেয়ারম্যান নূর হোসেন, হ্নীলা ইউনিয়নের বিদ্রোহী প্রার্থী কামাল উদ্দীন আহমদ, মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন খোকন, মাতারবাড়ি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মাস্টার মোহাম্মদ উল্লাহ ও সাবেক চেয়ারম্যান এনামুল হক রুহুল, মাস্টার রুহুল আমিন, আবদুস সাত্তার, হোয়ানকের আওয়ামী লীগ সভাপতি মীর কাসেম, ওয়াজেদ আলী মুরাদ, কুতুবদিয়ার উত্তর ধুরংয়ের সিরাজদৌলাহ এবং পেকুয়ার টৈটং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহীদুল্লাহ। এছাড়াও দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থায় নেয়ায় হোয়ানক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাফর আলম ও টেকনাফের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহামদকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে।

এসব বহিস্কৃত বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। নোটিশের সন্তোষজনক জবাব না দিলে চূড়ান্তভাবে বহিস্কারের জন্য কেন্দ্রীয় হাইকমান্ডের কাছে সুপারিশ করবে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ। উল্লেখ্য, এরআগেও কক্সবাজারের পেকুয়ার টৈটং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহীদুল্লাহকে গম চুরির অপরাধে আরও একবার বহিস্কার করেছিল জেলা আ’লীগ।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION