রবিবার, ২৮ Jun ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন
শাহাব উদ্দীন সিকদার, মহেশখালী
মহেশখালীর গোরকঘাটায় নিত্যপণ্যের দাম লাগামহীনভাবে বেড়ে গেছে। ডিজেলের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন খরচসহ আরও বিভিন্ন অজুহাতে এই বাজারের ব্যবসায়ীরা দাম বাড়াচ্ছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। বাজারে কিছু মুনাফাধারী ব্যবসায়ী আর প্রশাসনের মনিটরিং না থাকার কারণে এমন অবস্থা ধারণা সাধারণ মানুষের। যার ফলে কিছু বিত্তশালী বাদে দিন মজুর আর মধ্যবিত্ত শ্রেণির জনসাধারনের জীবন যাত্রা হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ।
মহেশখালী পৌরসবার ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা দিলীপ বলেন, তিনি বড় মহেশখালী বাজার থেকে আলু, বেগনী এবং ডিম কিনেছেন যা গোরকঘাটা বাজারের চেয়ে কম। আলুর কেজি প্রতি গোরকঘাটায় ৫ টাকা বেশি তেমনি বেগনিতেও। ডিমের হালিতে ২ টাক বেশি দাম চাওয়া গোরকঘাটা বাজার থেকে কিনেনি বলেন এই ক্রেতা।
এবিষেয় জানতে চাইলে গোরকঘাটা বাজারের এক সবজি ব্যবসায়ী জানান, গোরকঘাটা বাজারে বেশি দাম নেয় এটা ঠিক নয়। তিনি বলেন,গোরকঘাটায় তেমন কোন সবজি উৎপাদন হয়না বেশির ভাগ সবজি দূর এলাকা থেকে আনা হয়। যার কারনে দাম একটু বেশী হয় মাঝে মাঝে সবসময় নয়।
গোরকঘাটা উপরের বাজারের অপর এক মাছ ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দাম মাঝে বেড়ে যায় স্বীকার করে বলেন, গোরকঘাটা বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় এমন হয়। তার দাবি বেশি মুনাফার জন্য নয়। তিনি আরো বলেন বর্তমানে সবজিনিসের দাম বাড়তি তবে নিত্য পণ্য প্রতিদিন কিনতে হয় তাই ক্রেতাদের কাছে একটু বেশি লাগে যা আসলে সত্য নয়।
সরেজমিনে বাজার ঘুরে দু এক জন ক্রেতার সাথে কথা হয় তার মধ্যে আকতার হোসন জানান বাজারে কোন সমস্যা নেই, চাহিদার সবটুকু পাওয়া যাচ্ছে, তবে সাধারণ নিত্য পন্য, চাল,ডাল সবজি থেকে শুরু করে গোরকঘাটা বাজারে ভোগ্য পন্য সহ অন্যান্য জিনিষ পত্রের দামটা যেন অনেকটা বেশি নিচ্ছে। তিনি মাঝে মাঝে পাশের ইউনিয়নের বাজারে যান। যার কারণে এই মূল্য পার্থক্যটা বুঝতে পারেন। তিনি মনে করেন বাজার তদারকি সংস্থাগুলোর কোন তৎপরতা না থাকাও এটা একটা বিষয়।
জানতে চাইলে, মহেশখালী উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রে মো: ইয়াছিন বলেন, কোনো সুনিির্দ্দষ্ট অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারে। তারপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখে জনস্বার্থে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভয়েস/জেইউ।