শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু ইনানীতে ২ দিন ধরে জ্বলছে নলকূপ থেকে ওঠা গ্যাসের আগুন: ২২ কিলোমিটার এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সাংবাদিক আবদুল আজিজের পিতার প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী আজ ইনানীতে গভীর নলকূপ খননের সময় নির্গমন গ্যাসের আগুন: আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ছেলের হাতে বাবা খুন ঘূর্ণিঝড় অর্ণবে রূপ নিয়েছে গভীর নিম্নচাপটি সেন্টমার্টিন ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খোলা প্রতিপক্ষ ফুটবলারের ওপর রাগ কমছে না নেইমারের, পাল্টা বক্তব্য নেস্তরের রামুর রশিদ নগর ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার: চুরির ৯৬ লাখ টাকা ভাগ নেওয়ার অভিযোগ অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে নিম্নচাপটি, কবে কোথায় আঘাত

চোরাকারবারীদের নৌকায় পাওয়া গেল ৫ লাখ ইয়াবাসহ ৫ কেজি আইস

ভয়েস প্রতিবেদক:

টেকনাফে ৫ কেজি ২৬৮ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস ও ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এসময় কোন পাচারকারীকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) নাফ নদীতে অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য সমূহ উদ্ধার করতে সক্ষম হন।

বুধবার (১৬ আগস্ট) বিকাল ৩ টায় সংবাদ ব্রিফিংয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) কর্নেল মো. জিল্লাল হোসেন ব্যাটালিয়নের সম্মেলন কক্ষে জানান, মিয়ানমার থেকে মাদক আসার গোপন সংবাদ পেয়ে বিজিবি জওয়ানরা কয়েকটি উপদলে নাফ নদীতে কৌশলগত অবস্থান করে। এক পর্যায়ে একটি নৌকাকে চ্যালেঞ্জ করলে নৌকায় অবস্থানরত চোরাকারবারীরা বিজিবি’র টহলদলের উপস্থিতি টের পেয়ে নাফ নদীতে লাফিয়ে শূন্য লাইন অতিক্রম করে মিয়ানমারের সীমানায় পালিয়ে যায়।

এ সময় চোরাকারবারীদের ফেলে যাওয়া নৌকাটি তল্লাশি করে ৬ টি প্লাষ্টিকের ব্যাগে মোড়ানো প্যাকেট উদ্ধার করে টহলদল। পরে প্যাকেটের ভিতর হতে ৫ কেজি ২৬৮ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস এবং ৫ লাখ পিস ইয়াবা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। মাদক কারবারীদের আটকের জন্য অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে।

রিজিয়ন কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) কর্নেল মো. জিল্লাল হোসেন আরো জানান, সীমান্ত সুরক্ষা, মাদক পাচার ও চোরাচালানরোধে সীমান্তে অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করে আসছে। বড় বড় মাদকের চালান আটকের সময় আসামি না থাকার প্রশ্নে তিনি বলেন, বিজিবির অবস্থান টের পেলে পাচারকারী দল কৌশলে শূণ্য লাইন অতিক্রম করে মিয়ানমার অভ্যন্তরে চলে যাওয়ার ফলে আটক করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে মিয়ানমারের সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে যৌথ অভিযানের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এবং মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে যথাযথ ও কার্যকরভাবে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে বিজিবি।

এছাড়া রামু সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল মো. মেহেদী হোসাইন কবীর ও টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. মহিউদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION