রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
হিমছড়ি সমুদ্রে গোসলে নেমে তিন পর্যটক নিহতের ঘটনায় নিখোঁজ আরো একজনের মরদেহ উদ্ধার কৈলাশে ফিরে গেলেন মা দুর্গা: সৈকতে প্রতিমা বিসর্জনে লাখো মানুষের ঢল হিমছড়ি সৈকতে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২ সৌদি আরবের মদিনা-পূর্বাঞ্চলে ৫টি ড্রোন ছুড়ল হুথিরা স্থানীয় নির্বাচন: বিদ্যমান আইনেই তফসিল, সুযোগ থাকছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উখিয়া ও টেকনাফে পৃথক অভিযানে ৪ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৪ আমার নামে মামলা দেন, নিজে গিয়ে জেলে যাব: ইশরাক বাস-ট্রাক সং’ঘ’র্ষে নি’হ’ত ১৪, পরিচয় মিলেছে ৯ জনের অবশেষে বাতিল তৃতীয় শ্রেণির ল্যাব সহকারী ফারুকের ডিলার মহেশখালীতে সারের সব ডিলার এমপি আলমগীর ফরিদ ‘বিএনপি পন্থী’, তৃণমূলজুড়ে চরম অসন্তোষ

শহরে নিখোঁজের ৮ ঘণ্টা পর পাওয়া গেল শিশুর লাশ, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

ভয়েস প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের নিখোঁজের ৮ ঘণ্টা পর একটি খালি প্লট থেকে আহাদ (৫) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) বিকাল ৫টায় শিশুটি কক্সবাজার ডিসি পার্কে নিখোঁজ হলে বুধবার (৮ জানুয়ারি) রাত ১টায় স্কুলের পাশে একটি খালি প্লট থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

এ সময় আহাদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তার গলায় হাতের চাপ ও নখের চিহ্ন এবং পিঠে ও হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এছাড়া তার মুখে ফেনা এবং নাক ও কানে বালি ভর্তি ছিল। ধারণা করা হচ্ছে- শিশুটিকে হত্যা করে তার মরদেহ এই খালি প্লটে ফেলে রাখা হয়েছে।

নিহত শিশু আহাদের বন্ধু জানায়, খেলা শেষে কয়েকজন অচেনা ব্যক্তি তাদেরকে লজেন্স অফার করে। এক পর্যায়ে আহাদকে জোর করে কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বুঝতে পেরে তার বন্ধু পালিয়ে যায়।

এলাকাবাসী জানায়, ডিসি পার্কের অনেক জায়গা পরিত্যক্ত এবং অন্ধকার। এসব জায়গায় মাদকাসক্ত ও অসামাজিক ব্যক্তিদের আনাগোনা হয়। তারা দাবি করেন, এই ধরনের ঘটনা আগেও ঘটেছে এবং নিরাপত্তার অভাবে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে থাকে।

উল্লেখ্য, কক্সবাজার ডিসি পার্কের বিভিন্ন প্লট, যা মূলত জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল। বর্তমানে অবৈধ দখলদার এবং অপরাধীদের আস্তানায় পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অনেকেই এই প্লটগুলো বিক্রি করে দিয়েছেন। ফলে এই অন্ধকার ও নির্জন এলাকাগুলো মাদকসেবী, ছিনতাইকারী এবং অন্যান্য অপরাধীদের জন্য আদর্শ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি শিশুর মরদেহের পাশে মাদকসেবনের চিহ্ন পাওয়া যাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, এতে মাদকসেবীরা জড়িত থাকতে পারে।

এ ঘটনায় কক্সবাজারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এমন একটি আবাসিক এলাকায় একটি শিশু নিখোঁজ হয়ে যাওয়া ও মরদেহ উদ্ধার হওয়া ঘটনা উদ্বেগের বলে জানান স্থানীয় সচেতন মহল।

কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইলিয়াস মিয়া বলেন, কক্সবাজার সদর থানার পুলিশের একটি টিম নিয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শিশু হত্যা ঘটনার তদন্ত চলছে। খুব শীঘ্রই অপরাধীদের ধরা হবে।
ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION