শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
নাইক্ষ্যংছড়িতে মালিকবিহীন বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার পেকুয়ার মগনামায় ওযু করতে গিয়ে মসজিদের ইমামের মৃত্যু তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী ফারুকের ডিলার ব্যবসা, উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ তনু হত্যা: সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরের জামিন বাতিল, আত্মসমর্পণের নির্দেশ মহেশখালীতে ভাসমান বিকল এলএনজি টার্মিনাল আংশিক চালু ‘বিপুল’ অস্ত্রভান্ডারের দাবি ট্রাম্পের, তথ্য ফাঁসকারীদের হুঁশিয়ারি ‘আমি আমার শারীরিক গঠন পছন্দ করি’ বাংলাদেশকে পরনির্ভরশীল ‘ক্লায়েন্ট রাষ্ট্র’ হিসেবে দেখতে চায় না সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত নির্যাতনের ঝুঁকি থাকলে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাবে না মালয়েশিয়া

নাইক্ষ্যংছড়িতে মালিকবিহীন বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার

ভয়েস প্রতিবেদক

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী জারুলিয়াছড়ি এলাকায় মালিকবিহীন ৮৯ হাজার ৯১৬ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। ১১ বিজিবির ধারাবাহিক অভিযানে উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক সিজার মূল্য ২ কোটি ৬৯ লাখ ৭৪ হাজার ৮০০ টাকা।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধীনস্থ আশারতলী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার ৪৬ থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জারুলিয়াছড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ ফয়জুল কবিরের নির্দেশনায় ওই এলাকায় টহল জোরদার করে। এ সময় কয়েকজন সন্দেহভাজন চোরাকারবারিকে দেখতে পেয়ে তাদের ধাওয়া করলে তারা একটি ব্যাগ ফেলে পাশের জঙ্গলে পালিয়ে যায়। পরে ফেলে যাওয়া ব্যাগটি তল্লাশি করে ৯টি কার্টুনে রাখা মোট ৮৯ হাজার ৯১৬ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে হলুদ রঙের ৮৯ হাজার ১৬ পিস এবং সবুজ রঙের ৯০০ পিস ইয়াবা ছিল। তবে অভিযানে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার রোধে বিজিবির ধারাবাহিক অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “যেকোনো মূল্যে সীমান্ত দিয়ে মাদক প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি বদ্ধপরিকর। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION