বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৩ অপরাহ্ন
ভয়েস প্রতিবেদক:
সকলের সুস্থতাই আমাদের কাম্য’ এই স্লোগানে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনগণকে সচেতন করতে কক্সবাজার জেলা ও বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলার চারটি উপজেলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতার লক্ষ্যে নানা তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন।
রোববার (৩ মে) জেলার প্রত্যন্ত এলাকায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কর্মহীন দরিদ্র মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছেন রামু সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।
নিজেদের রেশনের অংশ থেকে বাঁচিয়ে চাল, ডাল, আটা, আলু, পেঁয়াজ, তেল, লবনসহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বাড়ি বাড়ি গিয়ে অভাবগ্রস্ত, ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের হাতে হাতে পৌঁছে দেন তারা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, মানুষকে করোনা বিষয়ে সচেতন করা, চিকিৎসা সহায়তা প্রদান, জীবাণুনাশক কার্যক্রম পরিচালনা ও লকডাউন বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি নিজেদের রেশন বাঁচিয়ে প্রান্তিক মানুষের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে সেনাবাহিনী।
নিজেদের রেশন নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে সেনাবাহিনী
জনসচেতনতায় মাস্ক-সেনিটাইজার বিতরণ, সেনাবাহিনীর গাড়ি দিয়ে রাস্তায় বিশুদ্ধ পানি ছিটানো, কক্সবাজারের প্রবেশ পথে জরুরি প্রয়োজনে প্রবেশ করা গাড়িতে জীবাণুনাশক ছিটানো, জনসচেতনতায় মাইকিং করা, ফুল হাতে দিয়ে পথচারীদের ঘরে ফেরানোসহ নানাবিধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন তারা।
এছাড়া সেনাবাহিনীর মেডিক্যাল টিম রামু উপজেলা ও পেকুয়া উপজেলায় অসহায় মানুষদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানসহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্যালাইন বিতরণের পাশাপাশি শিশুদের চিপস ও চকলেট বিতরণ করে।
০৮ এপ্রিল থেকে পর্যটন নগরী কক্সবাজার লকডাউন ঘোষণার পর থেকে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি করা হয়। জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি চেকপোস্ট স্থাপন করে সেনাবাহিনী। জেলা শহর ছাড়াও আশপাশের উপজেলায় তাদের টহল কার্যক্রম চোখে পড়ার মতো।
পাশাপাশি কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফ এলাকায় ১১ লাখ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যূত মিয়ানমার নাগরিকদের ৩৪টি ক্যাম্পে করোনা ভাইরাস সচেতনতা বৃদ্ধিতে নিরলসভাবে কাজ করছেন সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যরা।
ভয়েস/আআ