বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৬ অপরাহ্ন
মো:ফারুক, পেকুয়া:
পেকুয়ায় সরকারি বরাদ্দের ১৫ টন চাল আত্মসাত পূর্বক কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে টইটং ইউপির চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাতে মামলাটি রুজু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল আজম।
উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম মামলা করার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হতদরিদ্রদের মাঝে বিতরণের জন্য ১৫টন চাল প্রকল্পের চেয়ারম্যান হিসাবে টইটং ইউপির চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী খাদ্য গুদাম থেকে উত্তোলন করেছেন। গত ৬এপ্রিল চালগুলো উত্তোলন করা হলেও তিনি মাষ্টাররোলসহ অন্যান্য কাগজপত্র জমা দেননি। চালগুলো কোথায় আছে সে বিষয়েও কোন সুরহা দেননি। যার কারণে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
সূত্রে আরও জানাযায়, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ শাখা থেকে ২০১৯ সালের ২৯ জুলাই মানবিক সহায়তা হিসেবে ৪০ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে ২৫ টন চাল বিলি করা হয়েছে। সম্প্রতি করোনা ভাইরাসের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দিনমজুর, রিকশাচালক ও অসহায় দুঃস্থ পরিবারের মাঝে বিতরণের জন্য গত ৩১ মার্চ টৈটং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম চৌধুরী অনুকূলে ১৫ টন চাল উপ বরাদ্দ দেওয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈকা সাহাদাত স্বাক্ষরিত ওই বরাদ্দকৃত চালের কোন হদিস মেলেনি এখনো।
ত্রাণের চাল গায়েবের বিষয়টি তদন্ত করতে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আশরাফুল আফসার পেকুয়ায় গিয়েছিলেন।
তদন্তের বিষয়ে তিনি জানিয়েছিলে, পেকুয়ায় তদন্তে এসে সরকারী ভাবে বরাদ্দের কাগজ বা নথি পর্যালোচনা করেছেন। টৈটং চেয়ারম্যান দুই দফায় চাল উত্তোলন করেছেন। কিন্তু তিনি বিতরণের কোন তথ্য দেননি বা চাল গুলো কি করেছেন সে বিষয়ে এখনো কিছু জানানি।
তিনি আরও বলেন, টৈটং ইউপি চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম আত্মগোপনে থাকায় তার সাথে কথা বলা যায়নি। চালের বিষয়ে এখন তিনি জানবেন। বাকিরা যারা দায়িত্বে ছিলেন তাদের নথি পেয়েছি। এখন চেয়ারম্যানেই বলতে পারবেন চাল কোথায় আছে।
ভয়েস/এমএফ/আআ