বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন
জিকির উল্লাহ জিকু :
মহেশখালী সেতুর পশ্চিম পাশে দাঁড়িয়ে আছে পান ভর্তি পিকআপ ও ট্রাক। মহেশখালী থেকে পান ক্রয় করে ঢাকা, চট্টগাম, নারায়ণগঞ্জ অভিমুখে রওনা হওয়া ৪৬ থেকে ৬০ টি পান ভর্তি পিক-আপ ও ট্রাক আটকে দিয়েছেন মহেশখালীর প্রবেশদ্বার বদরখালী মহেশখালী সংযোগ সেতুতে লকডাউনে থাকা দায়িত্বরত প্রশাসন।
মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার জামিরুল ইসলাম বলেন, (বিকাল ২৯ এপ্রিল ২ টার সময়) মহেশখালীর মানুষকে মরণঘাতী করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা করতেই অস্থায়ী পান বাজার বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, জীবন জীবিকার সাথে জড়িত এই পচনশীল দ্রব্য পান কোথাও গুদাম জাত করা যায়না। তা জানা সত্বেও বাধ্য হয়ে জনস্বার্থে আলোচনা ও পরামর্শক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে উপজেলা প্রশাসন।
কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ইতিমধ্যে শনাক্ত হওয়া বেশ কয়েকজন করোনা রোগী ঢাকা ও নারায়নগঞ্জ ফেরত ব্যবসায়ী পাওয়া গেছে। তবে তিনি আশ্বত্ব করে বলেন, আটক পানের গাড়ি ভর্তি বদরখালী সেতুর স্থানে পরিদর্শনে যাচ্ছেন।
“মানুষের জীবন জীবিকার সার্থে জড়িত ও পচনশীল এই পান বিক্রি কিভাবে করা যায় তা মানবিক বিবেচনা করে খুব শীঘ্রই সিদ্ধান্ত জানাবেন। যাতে করোনা সংক্রমণ ঠেকানা যায়। পাশাপাশি পানও বিক্রি হয়।”
বাংলাদেশ পান চাষির সমবায় সমিতি লিমিটেড এর সভাপতি মোহাম্মদ শাহা আলম বলেন, মহেশখালীতে দুই দিন মঙ্গলবার ও শুক্রবার পানের বাজার বসে। আনুষ্ঠানিকভাবে কোথাও বাজার বসেনি এই দুই দিনে। খুচরা ব্যবসায়ীরা গোপনে পান ভর্তি করেছেন বলে ধারনা। পান ভর্তি গাড়ীতে প্রায় দেড় কোটি টাকার পান বলে অনুমান তার। তিনি আশা করে বলেন, প্রশাসন যাতে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার করেন পান বিক্রি করার। যাতে সাধারণ পান ব্যবসায়ী থেকে পান শ্রমিক ও তাদের পরিবার বাঁচে।
ঢাকা নারায়নগঞ্জ ফেরত মানুষ দেখলেই আতঙ্ক :
এদিকে বেশ কয়েকজন করোনা রোগী মহেশখালীতে শনাক্ত হয় তার মধ্যে ঢাকা, নারয়ানগঞ্জ ফেরত ব্যবসায়ী পাওয়া যায়। যার ফলে ওই এলাকা থেকে যেকোনো মানুষ আসলেই ভয়ে থাকে সাধারণ মানুষ।
ভয়েস/জেইউ।