বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
ইসির আইন-বিধি সংশোধন প্রস্তাব চূড়ান্ত:স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মামদানি জানালেন নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে আইনি সীমাবদ্ধতার কথা আইনশৃঙ্খলা সভায় আওয়ামী দোসর ফারুক, রাজনৈতিক অঙ্গনে ক্ষোভ পুটিবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচার প্রসঙ্গে বক্তব্য আর্জেন্টিনার হৃদয় ভেঙে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন বিএনপি জনগণের সরকার এবং সবসময় জনগণের পাশে থাকবে-সালাহউদ্দিন আহমদ  কক্সবাজার সৈকতে টর্নেডোর আঘাতে তছনছ আর্জেন্টিনা জিতলে কেন বিয়ে করবেন পরীমণি? মিয়ানমার উপকূলে ২ নৌকাডুবি : ৫৩০ রোহিঙ্গা নিহত শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে অটোপাস নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কলেজছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ:৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

নাটোরের বড়াইগ্রামে এক কলেজছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ছয় জনের মৃত্যুদণ্ড ও চার জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ১০ জনকে ১ লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে। এই মামলার এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ, নাটোর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই আদেশ দেন।

নাটোর কোর্ট ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম এবং ওই আদালতের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- বড়াইগ্রামের ধানাইদহ এলাকার মুস্তাফিজুরের ছেলে সাব্বির আহম্মেদ (১৮), একই উপজেলার জামাতিদিঘা এলাকার রেজাউল করিমের ছেলে রেজাউনুল ওরফে রাব্বী (১৯),সিংড়া নাছিয়ারকান্দি এলাকার রশিদের ছেলে নাজমুল হক (১৯), একই উপজেলার মহিষমারী এলাকার কাদেরের ছেলে রাজিবুল হাসান (১৮), রিপন ও কলম এলাকার শহিদুল (২৫)।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মহিষমারী এলাকার আয়চানের ছেলে মনিরুল (১৮), খায়রুল ইসলাম, আতাউল ইসলাম ওরফে আতাউর ও রেজাউল করিম। এই মামলায় খালাস পেয়েছেন নাছির।

নাটোর কোর্ট ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগী এবং আসামি সাব্বির একসঙ্গে পড়ালেখা করতেন। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ভিকটিমকে বেড়ানোর কথা বলে সাব্বিরের বন্ধু আসামি রাব্বীরের কাছে আসেন। সেখানে পৌঁছানোর পর অন্যান্য আসামিদের ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন।

তিনি আরও জানান, ২০১২ সালের ২০ অক্টোবর ভুক্তভোগী কলেজছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ১১ জনের নাম এবং অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনের বিরুদ্ধে সিংড়া থানায় মামলা করেন।

বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান জানান, আসামিদের মধ্যে তিন জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় ছয় জন উপস্থিত ছিলেন।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION