মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
টেকনাফ স্থলবন্দর ঘুরে দেখলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পরবর্তী বৈঠক হতে পারে বৃহস্পতিবারই উৎসবের রঙে একাত্মতায় শেষ হলো ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ স্বাগতম ১৪৩৩ কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে প্রতিবন্ধীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে-আজিজুর রহমান দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিতে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই- খাইরুল আলম চৌধুরী মৃত্যুদণ্ড সাজা পাওয়ার পর এএসআই ‘আমি সরকারি চাকরি করি, আমি হুকুমের গোলাম’ আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা অ্যাওয়ার্ডের আক্ষেপ থাকলেও উজ্জীবিত মম চুক্তি না মানলে আরও বড়, আরও ভয়াবহ, আরও শক্তিশালী গোলাবর্ষণ শুরু হবে: ট্রাম্প

শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন দিশানায়েকে

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন অনূঢ়া কুমারা দিসানায়েকে। স্থানীয় সময় আজ সোমবার রাজধানী কলম্বোতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন তিনি।

সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে শ্রীলঙ্কার ইতিহাস ‘নতুন করে রচনার’ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অনূঢ়া। নির্বাচনে তার এই জয়কে দুর্নীতি ও স্বজনতোষণের সংস্কৃতির প্রত্যাখ্যান হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা।

প্রথম বামপন্থি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দিসানায়েকে শপথ নেয়ার পরপরই বলেন, ‘রাজনীতিবিদদের প্রতি জনগণের আস্থা পুনরায় ফিরিয়ে আনার জন্য আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি জাদু দেখাই না, আমি জাদুকর নই। এমন কিছু আছে যা আমি জানি এবং এমন কিছু থাকতে পারে যা আমি জানি না। তবে আমি সেরা পরামর্শ চাইব এবং আমার সেরাটাই করব। এজন্য সবার সহযোগিতা চাই।’

আত্মস্বীকৃত মার্কসবাদী অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট (জেভিপি) পার্টির নেতা। গতকাল রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) শ্রীলঙ্কার নাগরিকদের আস্থা অর্জন করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হন তিনি। মূল প্রতিদ্বন্দ্বী সাজিথ প্রেমাদাসা এবং ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট রণিল বিক্রমাসিংহেকে ধরাশায়ী করে জয়ী হন তিনি।

জেভিপি প্রধান অনূঢ়া কুমারা দিসানায়েকে এবারের নির্বাচনে এনপিপি জোটের প্রার্থী ছিলেন। জোটটি এর আগে কখনো শ্রীলঙ্কার বিরোধীদলও ছিল না। দেশটির ২২৫ সদস্যের পার্লামেন্টে এই জোটের আসন ছিল মাত্র তিনটি।

কিন্তু ২০২২ সালে গণবিক্ষোভের মুখে গোতাবায়া রাজাপক্ষে দেশ ছেড়ে পালানোর পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে জেভিপির জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। ওই বিক্ষোভে সক্রিয় ভূমিকা ছিল দলটির। আন্দোলনের পর জেভিপি বৃহত্তর পরিবর্তনের ডাক দেয়। সামাজিক ন্যায়বিচার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে দলটির অনড় অবস্থান নাগরিকদের আকৃষ্ট করেছে।

রাজাপক্ষে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পান রণিল বিক্রমাসিংহে। এরপর প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো দেশটিতে।
ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION