সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৫:৩৭ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্জ্যে স্থানীয়দের ৩শ’ একর জমিতে চাষাবাদ ব্যাহত সাংবাদিক দম্পতি শাকিল-ফারজানার জামিন বিজয়ের ক্ষমতার স্থায়ীত্ব, তৃষার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে জ্যোতিষীর বিস্ফোরক মন্তব্য ইরানকে নতি স্বীকার করানোর মতো ‘হাতিয়ার’ ট্রাম্পের ফুরিয়ে আসছে: বিশ্লেষক খুনোখুনি থামছে না রোহিঙ্গা ক্যাম্পে, সক্রিয় ৬ সশস্ত্র গোষ্ঠী কোনো কাজে সফল হতে যা করবেন জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: শহরে নিরাপত্তা জোরদারে আহবান স্বপ্নার এনসিপি প্রথম ধাপে উপজেলা ও পৌর নির্বাচনে ১০০ প্রার্থী ঘোষণা ইরান আনুষ্ঠানিক জবাব দিল যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাবের পুলিশের যৌক্তিক দাবিগুলো পূরণ করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গা শিশুদের পড়ালেখার ক্ষতি হচ্ছে: হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে শিশু শিক্ষার পরিস্থিতি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। বুধবার (২৬ জুন) সংস্থাটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, উদ্ভূত পরিস্থিতির নেপথ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য বৈশ্বিক দাতার অনুদান হ্রাস পাওয়া।

অর্থসংকটের কারণে চলতি মাসের তিন তারিখ রোহিঙ্গা শিবিরে এনজিও পরিচালিত অসংখ্য ‘লার্নিং সেন্টার’ বন্ধ করে দেয় ইউনিসেফ। শিবিরের চার লাখ ৩৭ হাজার শিশুর শিক্ষার জন্য এখন কেবল যে প্রতিষ্ঠানগুলো চালু রয়েছে, তা বাইরের সমর্থন ছাড়া রোহিঙ্গারা নিজেরাই প্রতিষ্ঠা করেছে।

২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র ৩০ কোটি ডলার অনুদান দিলেও চলতি বছর জুন নাগাদ তা এক কোটি ২০ লাখ ডলারে নেমে আসে। এপ্রিলে শিক্ষাখাতে প্রয়োজনীয় সাত কোটি ২০ লাখ ডলারের মধ্যে মাত্র দুই কোটি ২০ লাখ ডলার অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এর ফলে তিন লাখের বেশি শিক্ষার্থীর জন্য চালু থাকা লার্নিং সেন্টার বন্ধ হয়ে যায়।

ইউনিসেফ ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে ঊর্ধ্বতন শ্রেণির পাঠ কার্যক্রম ২৯ জুন থেকে পুনরায় চালুর পরিকল্পনা করলেও, বাকি ক্লাসের জন্য আলাদা অর্থের উৎস না পাওয়া গেলে সেগুলো স্থগিতই থাকছে।

কমিউনিটি-নেতৃত্বাধীন স্কুলগুলোতে উন্নত মানের পাঠদান, বিষয়ভিত্তিক ও অভিজ্ঞ শিক্ষকের উপস্থিতি থাকলেও সেগুলোর কোনও সরকারি স্বীকৃতি নেই। ফলে সেগুলোর ওপর দাতারা বিনিয়োগও করেন না।

এই স্কুলগুলোতে মাসিক ফি দিতে হয়, যা অনেক পরিবারই বহন করতে পারে না। অনেক সময় শিশুদের স্কুল থেকে তুলে কাজে পাঠানোর ঘটনাও ঘটে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষা-সংকটের ফলে শিশুদের ওপর সশস্ত্র গোষ্ঠী ও অপরাধ চক্রের প্রভাবও বেড়েছে। অপহরণ, মানবপাচার এবং জোরপূর্বক দলে টেনে নেওয়ার মতো ঘটনা বাড়ছে। ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসে ৫১টি শিশু অপহরণের তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের শিশু অধিকার বিষয়ক পরিচালক বিল ভ্যান এসভেলড বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং অনুদান দিয়ে আসা অন্যান্য দেশ রোহিঙ্গা শিশুদের পড়াশোনার বিষয়টি যেন ভুলে যাচ্ছে। অথচ পুরো এক প্রজন্ম শিশু ঝড়ে পড়া ঠেকাতে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের পাশে বৈশ্বিক দাতাদের থাকা উচিত। আর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উচিত সবার শিক্ষার অধিকার রক্ষায় সচেষ্ট হওয়া।

প্রতিবেদনে পরামর্শ দেওয়া হয়, শরণার্থী শিবিরের বাইরের স্কুলে রোহিঙ্গা শিশুদের পড়াশোনার সুযোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION