শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩০ অপরাহ্ন
ভয়েস নিউজ ডেস্ক:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, তরুণরা চাইলে দেশ পুনর্গঠন করা সম্ভব। কারও পক্ষে ঠেকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। এর প্রমাণ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। কারণ তরুণরাই ফ্যাসিস্টকে বিতাড়িত করতে সক্ষম হয়েছে। এই দেশটা আমাদের গড়ে তুলতে হবে। তাই রাষ্ট্র পুনর্গঠনে তরুণদেরই দায়িত্ব নিতে হবে। সবাই একত্রিত হয়ে দেশকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে গড়ে তুলতে হবে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সারা দেশে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও প্রতিরোধ অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি একটা সাহায্য চাই। আমি যতটুকু জানি, বাংলাদেশে স্কাউটসের সংখ্যা প্রায় ২৩ লাখ, বিএনসিসি সদস্যের সংখ্যা ২২ হাজার। এছাড়া প্রাথমিক স্কুল-মাদ্রাসা ছাড়াও সারা দেশে হাইস্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি। আর প্রাথমিক স্কুল-মাদ্রাসাসহ আড়াই কোটি।
তিনি বলেন, এই যে সংখ্যাটা আমি বললাম, একটা দেশের এত বড় তরুণ সমাজ যদি দেশকে পরিবর্তন করতে চায়, তাহলে করা সম্ভব। তরুণ সমাজ যে পরিবর্তন করতে পারে, সেটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘পরিবর্তনের সূচনা সেখান থেকেই তরুণ সমাজ করেছে। কাজেই আসেন, আজকে আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি, আগামী তিন মাস আমরা ডেঙ্গু সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করবো। হয়তো আমরা ১০০ ভাগ পারবো না, কিন্তু অন্তত ৮০ ভাগ আমরা পারবো।’
সরকার প্রধান বলেন, এতগুলো মানুষ—আমরা যদি দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই, কেউ কি ঠেকিয়ে রাখতে পারবে? কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। এখন আপনাদের দায়িত্ব নিতে হবে দেশটা গড়ে তোলার।
তিনি বলেন, ‘আজকে এই যে আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি, এই যে হাজার হাজার মানুষ এই মাঠে, সারা দেশের সবগুলো জেলা মিলিয়ে লাখ লাখ মানুষ যারা আমরা একত্রিত হয়েছি, আমরা একটি লক্ষ্য নিয়ে একত্রিত হয়েছি যে, আমরা আমাদের দেশকে পরিষ্কার করবো, আবর্জনামুক্ত করার চেষ্টা করবো।’
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক আব্দুস সালাম ও উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল আলম খান মিল্টন। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনের পর ডেঙ্গু সচেতনতা নিয়ে বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী।
ভয়েস/আআ