বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
ইসরায়েলের সঙ্গে আমিরাতের অস্ত্রচুক্তির গোপন তথ্য ফাঁস ঐকমত্যের ভিত্তিতেই জনপ্রত্যাশার সংবিধান সংস্কার চান সালাহউদ্দিন আহমদ ভিনিসিয়ুস কি তাহলে রিয়ালেই থাকছেন? সৈকতে প্যারাসেইলিং বন্ধে সরকারকে আইনি নোটিশ মহেশখালী প্রেস ক্লাবে তিন নতুন সদস্য, সাংবাদিক মহলে উৎসাহ দরিয়ানগরে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে পড়ে পর্যটকের মৃত্যূ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে যাচ্ছে কক্সবাজার রেল স্টেশন-রেলপথ প্রতিমন্ত্রী এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না দুই বছর পার হলো জুলাই আন্দোলন : সুশাসনের প্রত্যাশা পূরণ কতদূর? শেখ হাসিনা যদি দেশে ফিরে, আইনের বাইরে সরকার কিছু করবে না: আইনমন্ত্রী

কিশোর বয়সে প্রিয়াঙ্কার প্রথম প্রেম, প্রথম চুম্বন

বিনোদন ডেস্ক :

বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও পদ্মশ্রীসহ নানা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তিনি। হলিউডে অভিনয় করেও খ্যাতি কুড়িয়েছেন এই অভিনেত্রী। শুধু অভিনয় নয়, তার অতীতের সম্পর্ক নিয়েও বহুবার খবরের শিরোনাম হয়েছেন।

মার্কিন পপ গায়ক নিক জোনাসের সঙ্গে ভালোবেসে ঘর বেঁধেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। গত ৯ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়েছে প্রিয়াঙ্কার আত্মজীবনী ‘আনফিনিশড’ বইটি। প্রিয়াঙ্কা তার জীবনের প্রথম প্রেম, প্রথম চুম্বনের বিষয়টি এই বইয়ে উল্লেখ করেছেন।

পড়াশোনার উদ্দেশ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছিলেন কিশোরী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সিডার র‌্যাপিডস শহরে পড়াশোনা করেন তিনি। পরে সেখানে থেকে চলে আসেন ইন্ডিয়ানাপলিসে। এই শহরের নর্থ সেন্ট্রাল হাই স্কুলে ভর্তি হন প্রিয়াঙ্কা। যখন তিনি নাইন গ্রেডের শিক্ষার্থী তখন তারই স্কুলের এক ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান এই অভিনেত্রী। বইটিতে প্রিয়াঙ্কা তার প্রেমিকের নাম বব উল্লেখ করেছেন। তবে এটি ছদ্ম নাম। ছেলেটি টেনথ গ্রেডে পড়তেন। প্রিয়াঙ্কা বইটিতে লিখেছেন—‘বব ভার্সিটি ফুটবল খেলতো, আবার দারুণ রেজাল্ট করেছিল।’

স্কুলে প্রিয়াঙ্কার ক্লাশ রুমের সামনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মুখ দিয়ে নানারকম মজার অঙ্গভঙ্গি করতেন বব। ছেলেটি প্রিয়াঙ্কার জন্য পাগল ছিলেন। একদিন বব তার গলা থেকে সোনার চেইন খুলে প্রিয়াঙ্কাকে পরিয়ে দেন। বিষয়টি স্মরণ করে প্রিয়াঙ্কা লিখেছেন—‘এটি বিস্ময়কর একটি মুহূর্ত ছিল। আমার মনে হয়েছিল আমি বিয়ে করলাম।’

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রিয়াঙ্কা তার কিরণ মাসির সঙ্গে থাকতেন। প্রেমের বিষয়ে তিনি খুব কঠোর ছিলেন। স্কুলের ক্লাশ শেষ হওয়ার পর যখন বাড়ি ফিরে যেতেন প্রিয়াঙ্কা-বব, তখন তারা পরস্পরকে খুব মিস করতেন। এজন্য ববকে পরামর্শ দিয়ে প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘তুমি তোমার বোনকে আমাদের ল্যান্ড ফোনে ফোন করতে বলবে। আর কিরণ মাসি ফোন রিসিভ করার পর স্কুলের বান্ধুবী ভেবে আমাকে দিয়ে দেবে।’ এভাবে কয়েকদিন কথা হওয়ার পর প্রিয়াঙ্কার মাসি তাকে সন্দেহ করেন। বিষয়টি জানিয়ে এ অভিনেত্রী লিখেছেন—‘একদিন আমি কথা বলছি, আর চুপি চুপি ল্যান্ড লাইনের অন্য একটি এক্সটেনশন তুলে নেন কিরণ মাসি। বিষয়টি আমি বোঝে ফেলায় যথাসময়ে কথা শেষ করে লাইন কেটে দিই।’

একবার প্রিয়াঙ্কার মাসি বাড়ি না থাকায় ববকে বাড়িতে ডেকে আনেন প্রিয়াঙ্কা। বব ও প্রিয়াঙ্কা হাতে হাত রেখে বসে টিভি দেখছিলেন। টিভিতে বাজছিল ‘আই উইল মেক লাভ টু ইউ’ গানটি। বিষয়টি জানিয়ে প্রিয়াঙ্কা লিখেছেন—‘বব আমার দিকে ঝুঁকে এলো। আমি তার দিকে তাকালাম। ভাবছিলাম, এটাই কী সেই বিস্মিত মুহূর্ত তৈরি হতে যাচ্ছে—আমার প্রথম চুম্বন।’

দুঃখজনক হলো, চুমু খাওয়ার আগেই প্রিয়াঙ্কা তার মাসির বাড়ি ফিরে আসার পায়ের শব্দ শুনতে পান। এতে প্রিয়াঙ্কা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কোনো উপায় না দেখে দ্রুত ববকে আলমারিতে লুকিয়ে ফেলেন। এরপর প্রিয়াঙ্কা তার কিরণ মাসিকে দিয়ে দোকান থেকে কিছু আনানোর সিদ্ধান্ত নেন, যাতে এই ফাঁকে বব চলে যেতে পারেন! কিন্তু তাতে ব্যর্থ হন। সর্বশেষ প্রিয়াঙ্কার কিরণ মাসি তার ঘরে প্রবেশ করেন। আর প্রিয়াঙ্কা তার বিছানায় বসে বায়োলজি বইটি খোলো পড়ায় মনোযোগী হন। এদিকে তার মাসি এসে প্রিয়াঙ্কাকে আলমারি খুলতে বলেন। কিন্তু প্রিয়াঙ্কা না খোলার অজুহাত দেন। এ বিষয়ে প্রিয়াঙ্কা লিখেছেন—‘আমার হাত-পা এমনভাবে কাঁপছিল যে ঠিকমতো দাঁড়িয়ে আলমারির দিকেও যেতে পারছিলাম না। তারপর বাধ্য হয়ে আলমারির দরজা খুলি, বব সেখান থেকে বেরিয়ে আসে। তারপর মাসি এতটাই রেগেছিলেন যে, এমনটা আমি কোনোদিন দেখিনি।’

এরপর প্রিয়াঙ্কার মাসি দ্রুত প্রিয়াঙ্কার মা মধু চোপড়াকে ফোন করেন। তখন ভারতে মধ্যরাত। ঘটনা শুনে প্রিয়াঙ্কার উপর তার মা রাগ করেছিলেন। কিন্তু সেটা ওই ছেলের সঙ্গে প্রেম করার কারণে নয়, বরং ধরা পড়ার কারণে। কিন্তু মধু চোপড়ার আচরণে খুশি হতে পারেননি তার বোন কিরণ। তারপর প্রিয়াঙ্কাকে ম্যাসাচুসেট্সে তার মামার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু এতে ববের প্রতি প্রিয়াঙ্কার অনুভূতির কোনো পরিবর্তন হয় না এবং তারা চিঠি ও ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ বজায় রাখেন। কিন্তু বিধি বাম, প্রিয়াঙ্কা তার মামার কম্পিউটার ব্যবহার করে ই-মেইল পাঠিয়ে আবার ধরা পড়েন।

ভয়েস/ জেইউ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION