বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন
বিশেষ প্রতিবেদক:
কক্সবাজারে জাতীয় মৎস্য নীতি ১৯৯৮ সংলাপ অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, সামুদ্রিক মৎস্য উৎপাদনে সূ-স্বাস্থ্যের জন্য ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের জাতীয় মৎস্য নীতিতে খাদ্য নিরাপত্তার উপর গুরুত্ব দিতে হবে বলে।
আজ রবিবার ওয়ার্ল্ড ফিশের উদ্যোগে সকাল ১০ টায় শহরের অভিজাত হোটেলের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংলাপ এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহা পরিচালক আতিউর রহমান বলেন, ‘জেলেদের আইডি কার্ড খুব গুরুত্বপূর্ণ। তবে বর্তমানে সকল মৎস্যজীবীদের আইডি কার্ড প্রদান সম্ভব হয়নি। আগামীতে সব মৎস্যজীবীদের কার্ডের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে।’
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের কক্সবাজার সামুদ্রিক কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শফিকুর রহমান বলেন, ‘ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সাগরে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিয়ে সমুদ্র উপকূল সুরক্ষায় পরিকল্পনা নিতে হবে’।
ড. শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘সম্প্রতি সময়ে বেশকিছু জেলি ফিস উপকূলে আটকে মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। অনেকে মন্তব্য করেছেন, জেলি ফিস ক্ষতিকর প্রাণী। এটি কিন্তু ভুল ধারণা। আমি বলবো জেলি ফিস কিন্তু উপকারী সামুদ্রিক প্রাণী। তাই, এই প্রাণীকে বাঁচাতে হবে’।
ওয়ার্ল্ড ফিশের টেকনিক্যাল টিম লিডার ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের স্বাগত বক্তব্যের মধ্যে শুরু হওয়া সংলাপ অনুষ্ঠানে
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহা পরিচালক আতিউর রহমান। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের কক্সবাজার সামুদ্রিক কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শফিকুর রহমান।
ড. মোকাররম হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দীপ্ত কৃষির সহকারী প্রডিউসার শামীমা সোলতানা, ড. মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন, ড. নাহিদুজ্জামাম।
সামুদ্রিক মৎস্য নিয়ে বিভিন্ন গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন, শহীদুল আলম চৌধুরী, শাখাওয়াত কবির চৌধুরী, ড. মনজুরুল করিম, ড. বিনয় বর্মন, পীরজাদী রোমানা হোসাইন। দিনব্যাপী এ সংলাপে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, মৎস্য বিজ্ঞানী, গবেষক ও সংশ্লিষ্টরা অংশ গ্রহণ করেছেন। অনুষ্ঠানটি বিকালে শেষ হয়।
ভয়েস/আআ