বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ০৫:০৮ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
ইসির আইন-বিধি সংশোধন প্রস্তাব চূড়ান্ত:স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মামদানি জানালেন নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে আইনি সীমাবদ্ধতার কথা আইনশৃঙ্খলা সভায় আওয়ামী দোসর ফারুক, রাজনৈতিক অঙ্গনে ক্ষোভ পুটিবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচার প্রসঙ্গে বক্তব্য আর্জেন্টিনার হৃদয় ভেঙে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন বিএনপি জনগণের সরকার এবং সবসময় জনগণের পাশে থাকবে-সালাহউদ্দিন আহমদ  কক্সবাজার সৈকতে টর্নেডোর আঘাতে তছনছ আর্জেন্টিনা জিতলে কেন বিয়ে করবেন পরীমণি? মিয়ানমার উপকূলে ২ নৌকাডুবি : ৫৩০ রোহিঙ্গা নিহত শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে অটোপাস নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আর্জেন্টিনা গেলেন সাত রোহিঙ্গা

রোহিঙ্গা ক্যাম্প, ফাইল ছবি

ভয়েস প্রতিবেদক:

মিয়ানমারে নির্যাতন ও গণহত্যার বিষয়ে আর্জেন্টিনার একটি আদালতে সাক্ষ্য দিতে গেলেন কক্সবাজারের সাত রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ। তারা উখিয়ার ১৩ নম্বর ক্যাম্পের বাসিন্দা।

শনিবার রাতে তারা ঢাকা ছেড়েছেন। রবিবার (২৮ মে) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, ‘ছয় নারীসহ সাত রোহিঙ্গা শনিবার রাতে আর্জেন্টিনার উদ্দেশে বাংলাদেশ ত্যাগ করেছেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তারা দেশে ফিরে আসবেন।’

এই সাত জন হলেন উখিয়ার বালুখালী ১৩ নম্বর ক্যাম্পের বাসিন্দা আহমদ হোসেন, বিবিজান, নূর বাহার, নুর বেগম, নুর জাহান, রহিমা খাতুন ও সেরু।

১৩ নম্বর ক্যাম্পের কয়েকজন রোহিঙ্গারা জানান, মিয়ানমারে বন্দুকের ভয় দেখিয়ে আটকে রেখে যৌন নির্যাতন, দলবেঁধে ধর্ষণ, মিয়ানমারের সেনাসদস্যদের হাতে গণহত্যা ও বাড়িঘরে আগুন দেওয়ার মতো ভয়াবহ ঘটনার সাক্ষী তারা। ২০২১ সালের ২৬ নভেম্বর ইউনিভার্সেল জুরিসডিকশন (সার্বজনীন এখতিয়ার) নীতির অধীনে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলার তদন্ত শুরু করেছে আর্জেন্টিনার বিচার বিভাগ।

মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সেসময় ভার্চুয়ালি সাক্ষ্য দিয়েছিলেন উখিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্পের সাত রোহিঙ্গা, যাদের চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে বুয়েন্স আয়ার্সের আদালতে সাক্ষী হিসেবে বিচারিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। এই মামলা ছাড়াও মিয়ানমারের সেনাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত এবং জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতেও বিচারকাজ চলছে।

এর আগে যুক্তরাজ্যভিত্তিক রোহিঙ্গাদের সংগঠন বার্মিজ রোহিঙ্গা অর্গানাইজেশন ইউকে (ব্রুক) ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর আর্জেন্টিনার আদালতে মামলাটি করেছিল।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION