বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
টাইব্রেকারে চকরিয়াকে হারিয়ে আন্তঃউপজেলা গোল্ডকাপে চ্যাম্পিয়ন রামু শুরু হচ্ছে চ্যাম্পিয়নস লিগ, কে জিতবে শিরোপা দেব-শুভশ্রী এক যুগ পর পর্দায় আল্লাহর সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকাই মুমিনের প্রশান্তি হিজড়া ‘গুরুমাকে’ হত্যা করে আরেক নেত্রীর ঘরে আশ্রয়, জানালেন খুনের কারণ উখিয়া থানা ৪ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার লাভ: পুরস্কার নিচ্ছেন ওসি আতিকুর রহমান উখিয়ায় ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের অগ্রাধিকার এখন আর চলচ্চিত্র নয় কেন? আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির ক্যারিয়ারের ৬টি স্মরণীয় ঘটনা আগে গোল দিয়েও মালয়েশিয়াকে হারাতে পারলো না বাংলাদেশের মেয়েরা

এখন পান চাষীদের সুদিন, করোনার ঘাটতি কাটিয়ে উঠার চেষ্টা

মহেশখালীর একটি পান বাজারের কেনাবেচার দৃশ্য।

ভয়েস প্রতিবেদক, মহেশখালীঃ

মহেশখালীতে পানের দাম ভালো থাকায় পান চাষীদের সুদিন যাচ্ছে। তবে চাহিদা মতো  পান উৎপাদন করতে না পারায় করোনাকালীন ঘাটতি আর বৃষ্টিতে পানের বরজ নষ্টের ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে এখনো পারেনি বলে জানান পান চাষী এবং ব্যবাসায়ীরা।

তাদের আশা ভালো দাম আর পরিবেশ অব্যাহত থাকলে  করোনার ঘাটতি কাটিয়ে উঠে স্বাভাবিক হবে পানের ব্যবসা।

সূত্র জানান, পানের দাম থাকলেও পর্যাপ্ত পান নেই বাজারে। চাহিদামত পানের চাহিদা পূরণ হচ্ছেনা বলে ব্যবসায়ীরা জানালেও চাষীরা জানান টানা বৃষ্টিতে পানের বরজ নষ্ট হওয়ায় পান উৎপাদনে ব্যর্থ হচ্ছেন তারা। যে কারণে পান ব্যবসায়ীরা চাহিদা মতো জোগান দিতে পারলে আগের ক্ষতি পুষাতে পারতো অন্যদিকে পান বেশি উৎপাদন করতে পারলে চাষীরা করোনার ঘাটতি মেটাতে পারতো।

সরজমিন চিত্র, ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে উপজেলার বড়মহেশখালী, মহেশখালী পৌরসভায়, ছোট মহেশখালী লম্বাঘোনা বাজার ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতারা ঝুঁড়িতে পান সাজিয়ে বসে আছে আর বিক্রেতারা ঘুরে ঘুরে পানের দরদাম করছেন। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের দর হাকানোর দৃশ্য দেখেই বুঝা যায় পানের চড়া দাম রয়েছে।

রমিজ, আজম খাঁন, রশিদ, সোলতান সহ একাধিক পান চাষীর সাথে কথা বলে জানা যায়, পানের দাম পূর্বের তুলনায় অনেক বেড়েছে। বড় আকারের প্রতিটি পানের বিড়া ৪’শ থেকে সাড়ে ৪’শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে চাহিদামত পান উৎপাদনে ব্যর্থ হচ্ছে চাষীরা। তাই পানের দাম থাকা স্বত্বেও লাভের মুখ দেখছেনা বেশিরভাগ প্রান্তিক চাষী। কারণ হিসেবে করোনাকালীন সময় পান বিক্রিতে বাঁধা ও সীমাবদ্ধতা থাকা, যানবাহনের অবাধ চলাচল না থাকার কারণে পরিবহণের অযুহাতে ব্যবসায়ীদের সস্তায় পান ক্রয় করা এবং স্থানীয় ও শহরের ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে কৃত্রিম ভাবে পানের দাম কমানোয় পরিচর্যা খরচের অভাবে প্রায় এক তৃতীয়াংশ পানের বরজ নষ্ট হয়ে যায়। অপরদিকে চলতি বর্ষা মৌসুমে টানা বৃষ্টির কারণে নীঁচু জমির পানবরজ সমূহ প্রায় ৯৫ভাগ নষ্ট হয়েছে। যার প্রভাব পাহাড়ী পান বরজেও পড়েছে। মুলত করোনার সময় পান বিক্রি না হওয়ায় টাকার অভাবে সঠিক পরিচর্চা করতে পারেনি বলে জানান চাষীরা।

চাষীরা আরো জানান, পানের দাম থাকায় তারা এবার নতুন পান বরজ তৈরীর কাজে হাত দিয়েছেন। তবে অর্থাভাবে তা অনিশ্চিত হয়ে আছে। তারপরেও অনেক চাষী ধারে ও সুদে টাকা নিয়ে পানের বরজ রোপন করছে বলে জানান।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মহেশখালী উপজেলায় নামে মাত্র পানচাষীদের একটি মাত্র সংগঠন থাকলেও তা বর্তমানে অকার্যকর। সাংগঠনিক অবকাঠামো না থাকায় এই সংগঠণের মাধ্যমে চাষীদের কোনরূপ লাভ হয়নি।

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত পানচাষীদের সুষ্টু ঋণ প্রদানের মাধ্যমে করোনাকালীন ক্ষতি লাঘব করে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ দেয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তারা জানান, মহেশখালীতে অধিকাংশ মানুষ পান চাষের সাথে জড়িত এবং তাদের অর্থনৈতিক প্রধান উৎস এই পান। তাই সরকারের যথাযথ উদ্যোগই পারে পান চাষীদের রক্ষা করতে৷

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION