মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
হিজড়া ‘গুরুমাকে’ হত্যা করে আরেক নেত্রীর ঘরে আশ্রয়, জানালেন খুনের কারণ উখিয়া থানা ৪ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার লাভ: পুরস্কার নিচ্ছেন ওসি আতিকুর রহমান উখিয়ায় ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের অগ্রাধিকার এখন আর চলচ্চিত্র নয় কেন? আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির ক্যারিয়ারের ৬টি স্মরণীয় ঘটনা আগে গোল দিয়েও মালয়েশিয়াকে হারাতে পারলো না বাংলাদেশের মেয়েরা নবম পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন চলন্ত বাসে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ফেলে দেওয়া হয় ৪০ কিলোমিটার দূরে লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে জর্ডানে পাল্টা হামলা ইরানের কক্সবাজারে বালিয়াড়ি ভরাট করে বাঁধ নির্মাণ: প্রকল্প পুনর্বিবেচনার আহ্বান টিআইবির

মেসির জাদুতে বার্সেলোনা চ্যাম্পিয়ন

খেলাধুলা ডেস্ক:

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে আগেই বাদ পড়েছে বার্সেলোনা। লা লিগায় গত সপ্তাহে রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হেরে শিরোপা স্বপ্ন কিছুটা কঠিন হয়ে পড়েছে। এছাড়া বছরের শুরুতে স্প্যানিশ কাপের ট্রফিও ছোঁয়া হয়নি। তাই কোপা দেল রের ফাইনালটা কোনও অংশে কম গুরুত্বপূর্ণ ছিল না কাতালানদের কাছে। অবশেষে সেভিয়ার লা কার্তুসা মাঠে ঘুরে দাড়িয়েছে লিওনেল মেসির দল। শূন্য হাতে ফিরতে হয়নি। বরং দারুণ ছন্দময় ফুটবল খেলে বার্সেলোনা মৌসুমের প্রথম ট্রফি জিতে নিয়েছে। ১২ মিনিটের ঝড়ে বিলবাও খড়কুটোর মতো উড়ে গেছে! আর এতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা লিওনেল মেসির। এ্ই ফরোয়ার্ডের জোড়া গোলে কাতালানরা ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে অ্যাথলেটিক বিলবাওকে।

কোপা দেল রেতে বার্সেলোনাই সবচেয়ে বেশি ট্রফি জিতেছে। এবার নিয়ে ৩১ বার উঠেছে তাদের হাতে ট্রফি। অন্য দিকে অ্যাথলেটিক বিলবাও জিতেছে ২৩ বার।

ফাইনাল ম্যাচে একাদশে ফিরেছেন জেরার্ড পিকে। সঙ্গে গ্রিজম্যানও। তাদের নিয়ে প্রতিপক্ষকে শুরু থেকে চেপে ধরেছে বার্সেলোনা। একের পর আক্রমণ গড়ে তটস্থ রেখেছে। বলে পজেশনে বেশিরভাগ সময়ে এগিয়ে থেকে তাদের অবশ্য গোল পেতে বেশ সময় লেগেছে। প্রথমার্ধে আক্রমণ গড়েও সফল হতে পারেনি কোম্যানের দল। বিলবাওর ডিফেন্ডাররা রুখে দিয়েছেন। আর গোলকিপার উনাই সিমনও খারাপ খেলেননি।

ম্যাচের ৫ মিনিটে মেসির পাসে ডি ইয়ংয়ের প্রচেষ্টা পোস্টে লেগে ফিরে আসে। দুই মিনিট পর দেস্ট এর শট পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়। ১১ মিনিটে মেসির পাসে গ্রিজম্যান লক্ষ্যে শট নিতে পারেননি। ২৬ মিনিটে মেসির শট এক ডিফেন্ডার রুখে দেবে।

বিরতির পর অবশ্য আক্রমণ অব্যাহত রেখে বার্সেলোনা সাফল্য পেতে শুরু করে। তবে ৪৭ মিনিটে দেস্টের ক্রস থেকে গ্রিজম্যান লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। এরপরে পেদ্রি ও বুসকেটসের শটও গোলকিপার সিমন রুখে দিয়ে দলকে ম্যাচে রাখেন।

তবে ৬০ থেকে ৭২ মিনিট পর্যন্ত বার্সেলোনা যেন বুলডোজার চালিয়েছে। রীতিমতো ঝড় বয়ে গেছে। এই ১২ মিনিটে গোল এসেছে চারটি!

৬০ মিনিটে ডি ইয়ংয়ের ক্রসে গ্রিজম্যান বা পায়ে প্লেসিং করে দেন। ৬২ মিনিটে এবার ইয়ং নিজেই গোল পেলেন। জর্ডি আলবার লবে ডি ইয়ং নিচু হেডে ২-০ করেন। ৬৮ ও ৭২ মিনিটে লিওনেল মেসি গোল পেলেন। প্রথমটি বক্সে ঢুকে এক ডিফেন্ডার ও গোলকিপারের মাঝ দিয়ে বল জালে জড়ান মেসি।

পরেরটিতে সতীর্থের ক্রসে মেসি পা চালিয়ে দিয়ে দলকে ৪-০ তে এগিয়ে নেন।

মাঝে মধ্যে বিলবাও প্রতি আক্রমণে গোল করার চেষ্টা করলেও সফল হতে পারেনি। বড় ব্যবধানে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে মার্সেলিনো গার্সিয়ার দলকে। অন্য দিকে বার্সা শিবিরে এই শিরোপা যেন বড় স্বস্তি! ৭৩১দিন পর যে ট্রফি এলো। এছাড়া কোম্যানের অধীনে প্রথম ট্রফিও পেলো দল।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION