বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন
এম.মনছুর আলম, চকরিয়া:
চকরিয়ায় পবিত্র রমজানে সেহেরির পরে সাম্প্রতিক সময়ে জায়গা জবর-দখলে নিতে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে একান্নবর্তী পরিবারের ২৬টি বসতঘর।
ওই সময় আগুনের লেলিহান শিখায় আগুনে পুড়ে প্রাণ হারায় মনোয়ারা বেগম নামের এক গৃহবধূ। নারকীয় এ আগুন সন্ত্রাসের শিকার ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় ২৬টি পরিবারের জন্য মানবিক সহায়তা হিসেবে তাদের পাশে গৃহস্থলী সামগ্রী নিয়ে দাঁড়িয়েছেন চকরিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা আলহাজ কাউছার উদ্দিন কছির।
রবিবার (১৭ মে) চকরিয়া উপজেলা ও ইউনিয়ন যুবলীগের অসংখ্য নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এসময় যুবনেতা কাউছার উদ্দিন কছির তার ব্যক্তিগত তহবিলের অর্থায়নে আগুন সন্ত্রাসের শিকার ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় ২৬টি পরিবারের মাঝে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেন। গৃহস্থলী সামগ্রীর মধ্যে ছিল, ডেকসি, কড়াই, ডাকনা, বাটি, বাসন, পেয়ালা, চামচ, পানির জগ, গ্লাস ও বদনাসহ বিভিন্ন উপহার সামগ্রী প্রতিটি পরিবারের হাতে তুলে দেন।
চকরিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ কাউছার উদ্দিন কছিরের ব্যক্তিগত তহবিলের পক্ষথেকে এদিন গৃহস্তলী সামগ্রী পেয়েছেন আগুন সন্ত্রাসের শিকার খিলছাদক ডাঙ্গারচর এলাকার নুরুল হোসাইনের ছেলে কৃষক মোহাম্মদ ইসমাইল, মোক্তার আহামদের ছেলে নুরুল হোসাইন, মোজাহের আহামদের ছেলে আনোয়ার হোসাইন ও মোহাম্মদ ফোরকান, আহামদ হোসেনের ছেলে মোজাহের আহমদ, মোজাহের আহামদের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম, মৃত আহামদ হোসেনের ছেলে মোজাম্মেল হক ও মো. জাহেদ, আবুল হোসেনের ছেলে নাসির উদ্দিন, জসিম উদ্দিন ও জমির উদ্দিন, মকবুল আলীর পুত্র আবু তাহের, আবু তৈয়বের ছেলে শাহ আলম, সাহাব উদ্দিন,সালাহ উদ্দিন ও নেজাম উদ্দিন, আবু তাহেরের ছেলে আবু ছালেক ও বশির আহমদ, মৌলভী আব্দুল্লাহর ছেলে মো. মোস্তফা, আবুল হোসেনের ছেলে জয়নাল আবেদীন, এজাহার আহামদের ছেলে নবী হোসাইন, আবুল কাশেমের ছেলে আবু হানিফ ও আলী আকবরের পরিবার।
বিতরণ কার্যক্রম শেষে যুবনেতা কাউছার উদ্দিন কছির বলেন, আসুন সন্ত্রাসীদের আগুনে নিঃস হয়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্থ ২৬টি অসহায় পরিবারে এই দুর্দিনে আপনারা যে যার মত করে অসহায় পরিবার গুলোর পাশে এসে দাঁড়ান। পবিত্র রমজানে মানবিক সহযোগিতার হাত প্রসারিত করুন।
তিনি এ ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসী ও তাদের ইন্ধনদাতা সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন প্রশাসনের কাছে। একইসঙ্গে অসহায় পরিবারকে পুনরায় নতুন ঘর নির্মাণের ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো.কামাল হোসেন, জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ সামসুল তাবরীজ, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মতিউল ইসলাম ও চকরিয়া থানার ওসি মো.হাবিবুর রহমান সহ সরকারের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।
ভয়েস/জেইউ।