রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
উখিয়া থানা ৪ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার লাভ: পুরস্কার নিচ্ছেন ওসি আতিকুর রহমান উখিয়ায় ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের অগ্রাধিকার এখন আর চলচ্চিত্র নয় কেন? আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির ক্যারিয়ারের ৬টি স্মরণীয় ঘটনা আগে গোল দিয়েও মালয়েশিয়াকে হারাতে পারলো না বাংলাদেশের মেয়েরা নবম পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন চলন্ত বাসে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ফেলে দেওয়া হয় ৪০ কিলোমিটার দূরে লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে জর্ডানে পাল্টা হামলা ইরানের কক্সবাজারে বালিয়াড়ি ভরাট করে বাঁধ নির্মাণ: প্রকল্প পুনর্বিবেচনার আহ্বান টিআইবির নারীপাচারের নয়া ফাঁদ ও শিকড়ের সংকট

“সমুদ্রকে বাঁচাতে হবে এবং পরিষ্কার রাখতে হবে”

ভয়েস প্রতিবেদক:
আন্তর্জাতিক মহাসাগর দিবস উপলক্ষে প্রতিবছরের ন্যায় কক্সবাজার তারকা মানের হোটেল সাইমান বিচ রিসোর্ট এর উদ্দ্যোগে বীচ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সকালের দিকে সায়মান বীচ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মাহবুব উর রহমান রুহেল এর নেতৃত্বে সৈকতের কলাতলি পয়েন্ট থেকে শুরু করে সমুদ্রের বিভিন্ন পয়েন্টে এ অভিযান করা হয়। এসময় বিভিন্ন হোটেল এর কর্মচারী, মলিক, ব্যবসায়ী, পর্যটন উদ্দোক্তাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সায়মান বীচ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব উর রহমান রুহেল বলেন, সমুদ্রকে বাঁচাতে হবে এবং পরিষ্কার রাখতে হবে এটি ট্যুরিজমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কক্সবাজারে অধিকাংশ হোটেল পরিবেশ দূষণরোধে ও দুর্গন্ধ ঠেকাতে বর্জ্য শোধনাগারের ব্যবস্থা নেই। তাই কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত প্রতিনিয়ত দূষিত হচ্ছে। যার জন্য সাগর দূষিত হয়ে নীল তিমিসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী মৃত্যুবরণ করে বালিয়াড়িতে ভেসে আসছে প্রায়স। তবে সায়মান বিচ রির্সোটসহ হাতেগুনা কয়েকটি হোটলে আধুনিক বর্জ্য শোধনাগারের ব্যবস্থা রয়েছে। ট্যুরিজম তথা সৈকতের জলজ প্রাণীকে বাঁচাতে প্রতিটি হোটেলে বর্জ্য শোধনাগারের ব্যবস্থা রাখার আহবান জানান তিনি। এছাড়া বিদেশি পর্যটক আর্কষণে আরো বিভিন্ন বিনোদনের উপকরণ সুযোগ সুবিধা বাড়াতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এসময় তিনি আরো বলেন, সমুদ্রের সঙ্গে প্রতিটি মানুষই সংযুক্ত। সমুদ্র মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। সাগর-মহাসাগরকে বলা হয় পৃথিীবীর ফুসফুস। এছাড়া বঙ্গোপসাগরকে ব্যবহার করে দেশের অর্থনৈতিক চাকা আরও গতিশীল করার অপুরন্ত সম্ভাবনা রয়েছে। ব্লু-ইকোনিমি বিশ্বের অনেক দেশকেই ব্যাপক সফলতা এনে দিয়েছে। তাই সেদিকেই আমাদেরও মনোযোগী হওয়ার সময় এসেছে। এই সমুদ্রকে জানা, সমুদ্র ও সমুদ্রের সাথে সম্পৃক্ত বিষয় গুলোকে কাজে লাগানো এবং সমুদ্রকে দূষণ থেকে মুক্ত রাখতে বাংলাদেশও ‘বিশ্ব সমুদ্র দিবস’ উদযাপনের গুরুত্ব রয়েছে।

দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো, সাগর-মহাসাগর সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা বাড়িয়ে তোলা।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION