শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪০ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
উখিয়া থানা ৪ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার লাভ: পুরস্কার নিচ্ছেন ওসি আতিকুর রহমান উখিয়ায় ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের অগ্রাধিকার এখন আর চলচ্চিত্র নয় কেন? আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির ক্যারিয়ারের ৬টি স্মরণীয় ঘটনা আগে গোল দিয়েও মালয়েশিয়াকে হারাতে পারলো না বাংলাদেশের মেয়েরা নবম পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন চলন্ত বাসে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ফেলে দেওয়া হয় ৪০ কিলোমিটার দূরে লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে জর্ডানে পাল্টা হামলা ইরানের কক্সবাজারে বালিয়াড়ি ভরাট করে বাঁধ নির্মাণ: প্রকল্প পুনর্বিবেচনার আহ্বান টিআইবির নারীপাচারের নয়া ফাঁদ ও শিকড়ের সংকট

চকরিয়ায় শিশুকে নদীতে ফেলে হত্যা মামলায় খালা গ্রেফতার

হত্যা, ফাইল ছবি

ভয়েস প্রতিবেদক, চকরিয়া:

চকরিয়ায় মাতামুহুরী নদী থেকে উদ্ধার শিশু হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়েছে। জানা যায়, বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে আসলে ছোট বোনকে অনৈতিক তাবিজ-কবচ, ঝাড়-ফুঁকসহ বৈদ্যালি করতে নিষেধ করে বড় বোন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সাত মাস বয়সী আপন ভাগিনা মোহাম্মদ আনাছকে নদীতে ফেলে হত্যা করে।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য স্বীকার করেছে নিহত শিশুর খালা আঁখি রহমান (১৯)। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আঁখি রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

নিহত শিশু আনাছের বাবা হোসাইন আলী ও তার মা সাকিলা বেগম বলেন, ৫ নভেম্বর বিএমচর ইউনিয়নের ছৈনারমার ঘোনার ছৈয়দ আকবরের মেয়ে সাকিলার ছোট বোন আঁখি রহমান বেড়াতে আসে। সুরাজপুরে বেড়াতে আসার পর থেকে বড় বোনের শ্বশুর বাড়ির একটি রুমে জিনের অজুহাতে ঝাড়-ফুঁক শুরু করে। অল্প বয়সে এমন অনৈতিক কাজ করতে বারণ করে বড় বোন সাকিলা ও দুলাভাই হোসাইন আলী। এতে রাগে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে আঁখি। বুধবার (৯ নভেম্বর) ভোরে ভাগিনা শিশু আনাছকে মুখে কাপড় চাপা দিয়ে মাতামুহুরী নদীতে ফেলে হত্যা করে সেই রাগের বহিঃপ্রকাশ ঘটায় আঁখি ।

এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে কান্নারত সাত মাস বয়সী সন্তানকে দুধ খাইয়ে ঘুম পাড়ায় মা সাকিলা। এরপর দুই রুমের ঘরের এক রুমে হোসাইন আলী ও আরেক রুমে সাত মাসের সন্তান আনাছ, শিশু মেয়ে মরিয়ম জন্নাত (৪), বেড়াতে আসা ছোট বোন আঁখি ও ননদ খতিজা বেগমকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে সাকিলা। বুধবার ভোর ৫টার দিকে ঘুম থেকে উঠে শিশু সন্তানকে পাশে না দেখে সবাইকে ঘুম থেকে ডেকে দেয় সাকিলা। সবাই খোঁজাখুঁজি করেও পায়নি। তাদের কান্না-কাটি ও হৈ-হুল্লোড়ে প্রতিবেশীরাও কি হয়েছে দেখতে আসে। ওইসময় আঁখির পরনের থ্রি-পিসে কাঁদা দেখে সন্দেহ হলে তাকে সবাই জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। এক পর্যায়ে সে আনাছকে মাতামুহুরী নদীতে ফেলে দেয়ার কথা স্বীকার করে।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়েছে খালা আঁখি রহমান। এছাড়াও বৃহস্পতিবার চকরিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শিশু আনাছকে মাতামুহুরী নদীতে ফেলে দেয়ার কথা স্বীকার করেন।

তিনি আরও বলেন, নিহত শিশু আনাছের বাবা হোসাইন আলী বাদী হয়ে থানায় দায়ের করা এজাহারটি মামলা হিসেবে এন্ট্রি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে একমাত্র আসামি আঁখি রহমানকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION