মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৪ অপরাহ্ন
খেলাধুলা ডেস্ক:
বিমান থেকে একে একে নেমে আজহার-বাবররা ঢুকে পড়লেন ম্যানচেস্টার বিমানবন্দরে। একজনের সঙ্গে আরেকজনের নির্দিষ্ট শারীরিক দূরত্ব। সবার মুখেই মাস্ক। এটাই এখন স্বাভাবিক দৃশ্য। করোনাভাইরাস উপদ্রুত পৃথিবীতে মুখে মাস্ক ছাড়া হয়তো বিমান ভ্রমণই আর করা যাবে না!
পাকিস্তান ক্রিকেট দল তিন টেস্ট ও তিনটি টি-টোয়েন্টির সিরিজ খেলতে পৌঁছে গেল ইংল্যান্ড। টুইট করে রবিবার রাতেই (২৮ জুন) এটি জানিয়ে দিয়েছে পিসিবি (পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড)। দলে খেলোয়াড় ২০ জন, কোচসহ সাপোর্ট স্টাফ ১১ জনের। করোনা আক্রান্ত ১০ জনের মধ্যে ছয়জনের দ্বিতীয় পরীক্ষায় নেগেটিভ রিপোর্ট আসা সত্ত্বেও তাদের ইংল্যান্ড পাঠানো হয়নি। এরা হলেন ফখর জামান, মোহাম্মদ হাসনাইন, মোহাম্মদ হাফিজ, মোহাম্মদ রিজওয়ান, শাদাব খান ও ওয়াহাব রিয়াজ। পরপর দুটি পরীক্ষায় নেগেটিভ এলেই এদের ইংল্যান্ড যাত্রার অনুমিত দেবে পিসিবি। আবারো পরীক্ষায় পজিটিভ হয়েছেন হায়দার আলী, হারিস রউফ, কাসিফ ভাট্টি ও ইমরান খান।
ম্যানচেস্টারের এমিরেটস ওল্ড ট্রাফোর্ডে ১৪ দিনের আইসোলেশনে যাওয়ার আগে পাকিস্তান দলের করোনা পরীক্ষা করবে ইসিবি। আইসোলেশনে থাকা অবস্থায়ও অনুশীলন চলবে, পরে ১৩ জুলাই দলের আশ্রয় হবে ডার্বিশায়ারে। সেখানেই আগস্ট-সেপ্টেম্বরের তিন টেস্ট ও তিন টি-টোয়েন্টির জন্য মিসবাহর দল নেবে চূড়ান্ত প্রস্তুতি।
পাকিস্তান দলটিকে মিসবাহর দল বলাই ভালো। পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়কের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ক্ষমতাশালী লোক এখন আর কেউ নেই! ২০১৭ সালে ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া মিসবাহকে পিসিবি একইসঙ্গে প্রধান কোচ ও প্রধান নির্বাচক নিয়োগ করেছে ২০১৯ দলে। যুগ্ম দায়িত্ব নিয়েই ৪৬ বছর বয়সী মিসবাহ দলের সঙ্গী। মাঠের বাইরে এমন একজনের পাশে অধিনায়কের ভূমিকা অনেকটাই গৌণ হয়ে পড়ে। টেস্ট অধিনায়ক আজহার আলী ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক বাবর আজমকে তার নির্দেশনা মেনেই হয়তো কাজ চালিয়ে যেতে হবে, যেমনটা অনুমান করেন পাকিস্তানের সাবেক ওপেনিং ব্যাটসম্যান আমির সোহেল।
পাকিস্তান দলের ২০ ক্রিকেটার: আজহার আলী (অধিনায়ক টেস্ট দল), বাবর আজম (অধিনায়ক টি-টোয়েন্টি), আবিদ আলী, আসাদ শফিক, ফাহিম আশরাফ, ফাওয়াদ আলম, ইফতিখার আহমেদ, ইমাদ ওয়াসিম, ইনাম-উল-হক, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ আব্বাস, মুসা খান, নাসিম শাহ, রোহেল নাজির, সরফরাজ আহমেদ, শাহীন শাহ আফ্রিদি, শান মাসুদ, সোহেল খান, উসমান শিনওয়ারি এবং ইয়াসির শাহ।
ভয়েস/আআ