সোমবার, ২২ Jun ২০২৬, ০৬:০৬ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

অপহরণকারিকে কুপিয়ে নিজ সন্তানদের কেড়ে নিল বাবা, পরে গণপিটুনিতে নিহত ১

ভয়েস প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের টেকনাফের পাহাড়ি এলাকায় কৃষক বাবার সামনে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার সময় অপহরণকারিকে কুপিয়ে নিজ সন্তানদের কেড়ে নিল বাবা শাহা আলম। পরে স্থানীয়দের গণপিটুনিতে এক রোহিঙ্গা অপহরণকারী নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও একজন আহত হয়েছেন। আহত অপহরণকারী কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সোমবার সন্ধ্যায় টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মিনাবাজার ঘোনা নামক এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত রোহিঙ্গার পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। প্রথমে নিহত অপহরণকারী উখিয়া উপজেলার কুতুপালং আশ্রয়শিবিরের ১ নম্বর ক্যাম্পের বাসিন্দা আজিমুল্লাহ এবং আহতের নাম মোহাম্মদ হাশেম বলে পরিচয় দেওয়া হয়। তবে আজ মঙ্গলবার বিকেল থেকে নিহত ব্যক্তি শীর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত সর্দার আবদুল হাকিম ওরফে হাকিম ডাকাত বলে প্রচার হয়। আহত ব্যক্তিও হাকি ডাকাতের ভাই বশির উল্লাহ বলে জানা গেছে। তবে নিহত বশির উল্লাহ ২০২০ সালে হাকিম ডাকাতের ভাই হিসাবে গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। এ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জোবাইর ছৈয়দ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত অপহরণকারী হাকিম ডাকাতের ভাই কিনা বলে পরিচয় নিশ্চিত করতে কাজ করছে পুলিশ।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয় শাহ আলমের দুই ছেলে আবছার উদ্দিন ও খাইরুল আমিন পাহাড় থেকে গৃহপালিত গরু নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় ঘোনার কাছে এলে আবছারকে অপহরণকারীর বেঁধে ফেলে। এসময় ছোট ভাই খাইরুল চিৎকার করলে তাদের পেছনে থাকা বাবা শাহ আলম এসে দুই রোহিঙ্গা অপহরণকারীকে ধাওয়া করে হাতে নাতে ধরে ফেলে। এসময় তার সঙ্গে স্থানীয় লোকজনও জড়ো হয়। একপর্যায়ে দুই অপহরণকারীদের ধরে গণপিটুনি দেয় এলাকাবাসী।

পরে পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

টেকনাফ থানার ওসি আরও বলেন, নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের পর সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। কেউ এ পর্যন্ত মরদেহের দাবি নিয়ে পুলিশের কাছে আসেনি।

সম্প্রতি টেকনাফের পাহাড়ি এলাকায় অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় ও গুমের ঘটনা ঘটছে। গত ৭ মাসে সেখানে অন্তত ৭০টি অপহরণ হয়েছে।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION