সোমবার, ২২ Jun ২০২৬, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

টেকনাফে ইয়াবা ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ

ভয়েস প্রতিবেদক:

টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম লেদা গ্রামে দিল মোহাম্মদ নামের এক ব্যক্তি ইয়াবা কারবারিদের প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে তার পরিবার।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কক্সবাজার  প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় কক্সবাজার ভয়েস অফিসে ভুক্তভোগীর পরিবার এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সংবাদ সম্মেলনে দিল মোহাম্মদের ছেলে কক্সবাজার সিটি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র সৈকত ইসলাম বলেন, ‘গত ৪ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে হ্নীলা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড লেদা গ্রামের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভূক্ত ইয়াবা কারবারি মৃত লাল মিয়ার ছেলে রবি আলম, জাহাঙ্গীর ও মোঃ আলম, শামসুল আলমের ছেলে খোরশেদ আলম প্রকাশ (আব্বুইয়া) মিলে আমার বাবাকে রাজনৈতিক ও জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে ব্যাপক মারধর করে। পরে ইয়াবা ও অস্ত্র দিয়ে ফাঁসিয়ে প্রশাসনের হাতে তুলে দেয়।’

সৈকত বলেন, ‘আমার বাবা দীর্ঘদিন সৌদি আরবে প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরেন। এরপর শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছিল আমার পুরো পরিবার। আমার বাবা বাড়ির কাজ করার পাশাপাশি একটি মোবাইল কোম্পানির টাওয়ারের দায়িত্বে ছিল। ওই টাওয়ারের পাশে তিনটি দোকান ও বেশকিছু জমি আছে। যেগুলো ইয়াবা কারবারি সিন্ডিকেট জোরপূর্বক দখলে নেয়। এতে প্রতিবাদ করলে আমার বাবা তাদের শত্রুতে পরিণত হয়।’

সৈকত ইসলাম বলেন, ‘গত ইউপি নির্বাচনে হ্নীলা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার নুরুল হুদার পক্ষে আমার বাবা প্রচারণায় অংশ নিয়েছিল। এতে ক্ষুব্দ হয়ে পরাজিত প্রার্থী মোহাম্মদ আলম আমার বাবাকে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়ে আসছিল। আমার বাবা সম্পূর্ণ নির্দোষ। কিছুদিন আগে আমার চাচা নুর মোহাম্মদও অপহরণের শিকার হয়েছে। তিনিও এখন পর্যন্ত নিখোঁজ।’

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমার পিতার নামে কোন মামলা নেই। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদেও কোন অভিযোগ নেই। এই নিরীহ মানুষটিকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে আমাদের পুরো পরিবার চরম হুমকিতে ফেলেছে ইয়াবা কারবারিরা । বর্তমানে সদ্য এসএসসি পাশ করা বোনসহ আমার বোনের লেখাপড়া বন্ধ হওয়ার পথে। দুজনের ভবিষ্যত অন্ধকারে।’

সৈকত বলেন, ‘অভিযুক্তরা মিয়ানমার থেকে ইয়াবা এনে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাচার করে। আমরা উক্ত মিথ্যা মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য ঘটনা উদ্ঘাটন করে মামলা প্রত্যাহার করে আমার বাবাকে মুক্তির দাবি করছি।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, দিল মোহাম্মদের স্ত্রী কুলসুম নাহার একমাত্র পুত্র সৈকত ইসলাম, মেয়ে রোকসানা আক্তার, আফসানা আক্তার, নিকটাত্মীয় রশিদা বেগম, খালেদা বেগম, শাকেরা বেগমসহঅনেক আত্মীয় স্বজন।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION