শনিবার, ২৭ Jun ২০২৬, ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

‘হেরে গেছেন’ বিষয়টি তাঁকে কে বলবেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

মার্কিন নির্বাচনে ঝুলে থাকা পাঁচ অঙ্গরাজ্যের ভোট গণনায় এখন পর্যন্ত যা অবস্থা তাতে বলা যায় নিশ্চিত জয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন জো বাইডেন। ডেমোক্রেটিক প্রার্থীর কাছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘হেরে গেছেন’ বিষয়টি তাকে কে বলবেন এ নিয়ে কঠিন অবস্থায় পড়েছে রিপাবলিকান শিবির।

বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর দেশটির প্রেসিডেন্ট হতে ৫৩৮টি ইলেক্টোরালের মধ্যে ২৭০টি ইলেক্টোরাল জয়ের দরকার। এর মধ্যে ২৬৪টি ইলেক্টোরাল জিতে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন বাইডেন। ‘ম্যাজিক সংখ্যায়’ পৌঁছাতে দরকার মাত্র ছয়টি ইলেক্টোরাল।

স্থানীয় সময় শুক্রবার পর্যন্ত ফল ঘোষণা না করা পাঁচ অঙ্গরাজ্যের ভোট গণনায় দেখা যাচ্ছে পেনসিলভানিয়া ও জর্জিয়া ট্রাম্পকে পেছনে ফেলে দিয়েছেন বাইডেন। রাজ্য দুটিতে রয়েছে ৩৬টি ইলেক্টোরাল। এর অর্থ জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে কেবল সময়ের ব্যাপার বাইডেনের।

দুটি রাজ্যের ফল প্রতিপক্ষ পেয়ে গেলে ট্রাম্পের হার ঠেকানোর কোনো উপায় থাকবে না। অথচ এখনো গোঁ ধরে আছেন রিপাবলিকান দলের এই প্রার্থী। মিত্রদের জানিয়েছেন, হার মানতে নারাজ তিনি। বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের ভোট গণনা স্থগিত চেয়ে একাধিক মামলা করেছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট।

তবে হারের বিষয়টি এরই মধ্যে অনুধাবন করতে পেরেছে রিপাবলিকান শিবির। ট্রাম্প হেরে গেছেন এবং এটা পরাজয় স্বীকার করে নেওয়ার সময় তাকে এটা কে বলবে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে সিএনএনের বরাতে একটি প্রতিবেদন ছেপেছে দ্য মেইল।

সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, হারের বিষয়টি ট্রাম্পকে জানানোর জন্য যে কয়জন ব্যক্তির নাম আসছে তাদের মধ্যে রয়েছে তার জামাতা জেরার্ড কুশনার এবং কন্যা ইভাঙ্কা ট্রাম্প। তারা দু’জনই হোয়াইট হাউসে উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

কিন্তু ইভাঙ্কা-কুশনার দম্পতির মানসিক অবস্থান এখনো পরিষ্কার নয়। বাবা ট্রাম্পের অযৌক্তিক দাবির পক্ষেই টুইট করেছেন ইভাঙ্কা।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিশ্চিত পরাজয় দেখে ট্রাম্পের পিছু ছাড়তে শুরু করেছেন রিপাবলিকান অনেক নেতা। নিজেদের মতো করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভাবছেন তার।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিভাবে ট্রাম্পকে তার অবস্থান থেকে সরানো যায় তা নিয়ে ভাবতে শুরু করেছেন সহযোগীরা। ধারণা করা হচ্ছে, তারা ট্রাম্পকে অনেকটা নীরবে সরে দাঁড়ানোর পরামর্শ দেবেন। এতে করে তার নিজের, পরিবারের এবং তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মঙ্গল হবে। সেই সঙ্গে ২০২৪ সালের নির্বাচনে ফের লড়ার জন্য একটা উপায় হবে।

এদিকে, টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটের চূড়ান্ত ফল ঘোষণায় বিলম্ব হয়, তাহলে সপ্তাহান্তেই একটি রাজনৈতিক মিছিল আয়োজন করবেন ট্রাম্প। সূত্র:দেশরূপান্তর।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION