শনিবার, ২৭ Jun ২০২৬, ০১:২০ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

ট্রাম্পের মিত্ররাও বললেন নির্বাচনে কোন অনিয়ম হয়নি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির অভিযোগে অনড় ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু এর সপক্ষে কোন প্রমাণ খুঁজে পাওয়া যায়নি বলছেন দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান এই আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা বলেন, “এখন পর্যন্ত আমরা এমন জালিয়াতির প্রমাণ দেখতে পাইনি যা নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দিতে পারে। ”

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পরাজয় স্বীকার না করা ট্রাম্পের জন্য বারের এ মন্তব্যকে বড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে।

একদিকে যখন জো বাইডেনের বিজয়ের ফলাফলের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে, তখন পরাজিত হওয়া রাজ্যগুলোয় তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই একের পর এক মামলা করে চলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী শিবির।

নির্বাচন নিয়ে একটি দাবি, ভোটিং মেশিন হ্যাক করে এমনভাবে প্রোগ্রামিং করা হয়েছে যে ফলাফল পাল্টে জো বাইডেনের পক্ষে নিয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে সেই দাবির প্রসঙ্গে  উইলিয়াম বার বলেন, বিচার বিভাগ এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এই দাবি তদন্ত করে ‘এখন পর্যন্ত এর সপক্ষে কোন প্রমাণ খুঁজে পায়নি’।

নভেম্বরেই যুক্তরাষ্ট্রের আইন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো একটি চিঠিতে নির্বাচনে অনিয়মের বিষয়ে গ্রহণযোগ্য অভিযোগগুলো তদন্ত করে দেখার জন্য তিনি নির্দেশনা দেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের অন্যতম মিত্র হিসেবে পরিচিত বার বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগকে সবকিছু সমাধানের একটি মাধ্যম হিসাবে ব্যবহারের প্রবণতা রয়েছে। কেউ যদি কিছু পছন্দ না করে, তখন তারা চায় যে, বিচার বিভাগ এসে সেটার তদন্ত করতে শুরু করুক। ”

এই মন্তব্যের বিষয়ে ট্রাম্পের প্রচারণা শিবিরের আইনজীবী রুডি জুলিয়ানি ও জেনা এলিস যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “অ্যাটর্নি জেনারেলের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, অনিয়মের এবং পদ্ধতিগত জালিয়াতির যথেষ্ট প্রমাণের ব্যাপারে সেটা নিয়ে তদন্ত বা জ্ঞান ছাড়াই তিনি মতামত দিয়েছেন বলে মনে হচ্ছে। ”

সিনেটে ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার বলেন, “আমার ধারণা, এরপর তিনিই হয়তো বরখাস্ত হতে চলেছেন। ”

এর আগে নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে ‘অত্যন্ত ভুল’ মন্তব্য করার জন্য সাইবার সিকিউরিটি এবং ইনফ্রাসট্রাকচার সিকিউরিটি এজেন্সি (সিসা) প্রধান ক্রিস ক্রেবসকে বরখাস্ত করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

৩ নভেম্বরের নির্বাচনে বাইডেন পেয়েছেন ৩০৬টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট, যেখানে ট্রাম্প পেয়েছেন ২৩২টি। এ ছাড়া ট্রাম্পের চেয়ে ৬২ লাখ ভোট বেশি পেয়েছেন বাইডেন।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION