বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২৭ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে মৌসুমের প্রথম যাত্রা: ৮ শতাধিক পর্যটকের উচ্ছ্বাসে প্রাণ ফিরে পেল প্রবাল দ্বীপ টেকনাফে ১১ লাখ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার হরমুজের কাছে ২টি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের ঝলমলে ত্বকের জন্য ঐশ্বরিয়ার ভরসা মাত্র তিন অভ্যাস যে মোরগের লেজের পালকের দৈর্ঘ্য ৫০ ফুট ঘুরতে যাবেন? জেনে নিন ২০২৭ সালে লম্বা ছুটি পড়বে কোন কোন মাসে সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনা চলছে, জানালো ইরান মিরপুরে টানা তিনদিন ধরে চলছে সংঘর্ষ: জনমনে আতংক ইনানীতে নলকূপ খননে গ্যাস উদগীরণ, মজুত নিরূপণে জরিপ দ্বীপ প্রস্তুত: আজ সেন্টমার্টিন খুললেও যায়নি কোন জাহাজ: চূড়ান্ত অনুমতির অপেক্ষায়

ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন ইউসুফ পাঠান

খেলাধুলা ডেস্ক:

ছোট ভাই ইরফান পাঠান ক্রিকেটকে বিদায় বলেছেন আগেই। এবার বিদায় বললেন তার বড় ভাই ও দুইবারের বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় অলরাউন্ডার ইউসুফ পাঠান। সব ধরনের ক্রিকেটকেই বিদায় বলেছেন ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ২০১১ বিশ্বকাপ জয়ী এই ক্রিকেটার।

৩৮ বছর বয়সী ইউসুফ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘জীবনের এই ইনিংসে আজ ফুলস্টপ দেওয়ার সময় এসেছে।’

ইউসুফ পাঠান সর্বশেষ ভারতের হয়ে খেলেছেন ২০১২ সালের ৩০ মার্চ টি-টোয়েন্টিতে। ২০০৭ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত তিনি ওয়ানডে খেলেছেন ৫৭টি ও টি-টোয়েন্টি ২২টি।

২০০৬-০৭ মৌসুমে ঘরোয়া ক্রিকেটে অসাধারণ পারফরম্যান্সই তাকে জায়গা করে দেয় ২০০৭ সালের ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে। অবশ্য ফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে মুখোমুখি হওয়ার আগে একটি ম্যাচও খেলার সুযোগ পাননি! ফাইনাল দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের দিন ওপেনিংয়ে নেমে ৮ বলে ১৫ রান করতে পেরেছিলেন। সেই ম্যাচটি ভারত জিতে যায় ৫ রানে! ওই ম্যাচে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ হন তার ছোটভাই ইরফান।

এর পর ২০১১ বিশ্বকাপের সময়টাতে ভারতের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে নিজেকে নিয়মিত সদস্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে তোলেন। বিশ্বকাপে খেলেন ৬টি ম্যাচ। ১১৫.৬২ স্ট্রাইক রেটে তার সংগ্রহ ছিল ৭৪ রান। বল হাতে ৪.৭৭ ইকোনমিতে নেন মাত্র একটি উইকেট।

বিবৃতিতে ইউসুফ আরও বলেছেন, ‘ভারতের হয়ে দুটি বিশ্বকাপ জয় এবং ফাইনালে শচীন টেন্ডুলকারকে কাঁধে তোলার মুহূর্তটি আমার জীবনে চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’ এই সময় ছোট ভাই ইরফানের প্রতিও কৃতজ্ঞতা ঝরে তার। বলেছেন, ‘ও আমার জীবনের উত্থান-পতনে সব সময়ই পাশে ছিল।’

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION