মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনা চলছে, জানালো ইরান মিরপুরে টানা তিনদিন ধরে চলছে সংঘর্ষ: জনমনে আতংক ইনানীতে নলকূপ খননে গ্যাস উদগীরণ, মজুত নিরূপণে জরিপ দ্বীপ প্রস্তুত: আজ সেন্টমার্টিন খুললেও যায়নি কোন জাহাজ: চূড়ান্ত অনুমতির অপেক্ষায় এইচএসসি পরীক্ষায় সাংবাদিক আজিজের মেয়ে নিশুর গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জন ইনানীতে গ্যাসের সঙ্গে তেলও বেরিয়ে আসছে, আরও ১৫ দিন জ্বলবে আগুন-বাপেক্স ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু ইনানীতে ২ দিন ধরে জ্বলছে নলকূপ থেকে ওঠা গ্যাসের আগুন: ২২ কিলোমিটার এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সাংবাদিক আবদুল আজিজের পিতার প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী আজ ইনানীতে গভীর নলকূপ খননের সময় নির্গমন গ্যাসের আগুন: আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস

আন্দামান সাগরে ভাসমান রোহিঙ্গাদের কাছে জাতিসংঘের কার্ড

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

আন্দামান সাগরে ভাসমান রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে বাংলাদেশ রাজি নয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। শনিবার (১৩ মার্চ) সাংবাদিকদের তিনি জানান, ওই রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ থেকে ১,৭০০ কিলোমিটার দূরে এবং ভারত থেকে ১৪৭ কিলোমিটার ও মিয়ানমার থেকে ৩২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে।

এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের বিষয়টি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী (এস জয়শঙ্কর) তুলেছিলেন। উনি আসার আগে থেকে আমি বলাবলি করছি যে এটা আমাদের গ্রহণ করার কোনও যুক্তিযুক্ত কারণ নেই। কারণ তাদেরকে ১,৭০০ কিলোমিটার দূরে পাওয়া গেছে। এরা যে জাহাজে ছিল সেটি আমাদের দেশের না, সেটি থাইল্যান্ডের জাহাজ।’

রোহিঙ্গারা ভারতের আন্দামান ও নিকোবর থেকে ১৪৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থানের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে মন্ত্রী বলেন, ‘জাতিসংঘের আইন হচ্ছে নিকটনর্তী যে দেশ তাদের দায়িত্ব দুর্যোগ থেকে উদ্ধার করা। সেইদিক থেকে নিকটবর্তী হচ্ছে ভারত। তবে এরা মিয়ানমারের লোক এবং ওই জায়গা থেকে মিয়ানমার ৩২৪ কিলোমিটার দূরে। সুতরাং এটি মিয়ানমারের এক নম্বর দায়িত্ব কারণ এরা ওই দেশের নাগরিক। এরপর হচ্ছে যে দেশটি সবচেয়ে কাছে আছে। সেইদিক থেকে আসছে ভারতের নাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওই রোহিঙ্গাদের অনেকের কাছে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার কার্ড আছে। এটি খুব তাজ্জব যে এদের যখন সাগরে পাওয়া যায় তখন তাদের খাবার থাকে না, পানি থাকে না, কিন্তু আইডি কার্ড থাকে। জাতিসংঘ যদি তাদের আইডি কার্ড দিয়ে থাকে তবে এটি তাদের দায়িত্ব রোহিঙ্গাদের দেখভাল করা।’

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION