সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
লবণের ট্রাকে মিলল ১লাখ পিস ইয়াবা: ইয়াবাকারবারি ও ডাকাতসহ ৪জন গ্রেপ্তার ইরান যুদ্ধের সময় ‘গোপনে’ আমিরাত সফরের কথা জানালেন নেতানিয়াহু, ‘আগেই জানতো’ তেহরান টেকনাফ পৌর বিএনপির নেতা আবদুর জব্বার বহিষ্কার ‘মানুষ আপনার বয়স নিয়ে আপনার চেয়েও অধিক চিন্তিত’ মেসির জোড়ায় ৮ গোলের ম্যাচে জিতেছে ইন্টার মায়ামি বিধবা বিয়ের বিষয়ে যা বলে ইসলাম বিশ্বকাপের অলটাইম র‍্যাঙ্কিং: সবার ওপরে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা কোথায় অক্ষত ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র: ফুরিয়ে আসছে মার্কিন অস্ত্রভাণ্ডার? কক্সবাজার সায়মনের মালিক ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আর নেই বেন্তোর ভুলে রোনালদোর শিরোপা জয়ের অপেক্ষা বাড়লো!

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকান্ড: আশ্রয়স্থল হারিয়ে ৪৫ হাজার রোহিঙ্গা-‘আইওএম’

ভয়েস প্রতিবেদক:

উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৪৫ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয়স্থল হারিয়েছে। একই সাথে ‘আইওএম’র সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান আগুনে ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

‘আইওএম’ দাবি করছে, উখিয়ার বালুখালীতে এক সাথে তিনটি ক্যাম্পে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই অগ্নিকান্ডের ঘটনায় প্রায় ৪৫ হাজার রোহিঙ্গা তাদের আশ্রয়স্থল হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে। আর ‘আইওএম’ পরিচালিত যে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেখানে গত বছর প্রায় ৫৫ হাজার মানুষকে সেবা প্রদান করেছে করেছিল। এছাড়াও ক্ষয়ক্ষতির করোনার দ্বিতীয় ঢেউতে চিকিৎসাসেবায় নতুন করে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে পারে। শিবিরগুলোর মধ্যে আগুনের লেলিহান গতি ক্যাম্পের ভেতরের প্রধান সড়ক, পাহাড়ের ঢাল, খাল এবং ধানের ক্ষেতে পৌঁছানোর পরেই কেবল কমে যায়। কিন্তু, ততক্ষণে হাজার হাজার মানুষের আশ্রয়স্থল, প্রয়োজনীয় সেবাকেন্দ্র এবং ব্যক্তিগত সম্পদ সবকিছুই ধ্বংস হয়ে যায়। অগ্নিকান্ডের কারণ এখনো অজানা। মানবিক সহায়তাকারী সংস্থাগুলো এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ১১ জন মানুষ অগ্নিকান্ডে প্রাণ হারিয়েছেন, ৫০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন এবং আনুমানিক ৪০০ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

আইওএম-এর মহাপরিচালক এন্টোনিও ভিটোরিনো এক প্রেসবার্তায় জানিয়েছেন,“এই বিপর্যয় একটি ভয়াবহ ধাক্কা যা কক্সবাজারের শরণার্থীদের মানবিক প্রয়োজন আরও বাড়িয়েছে। আমাদের এই পুনর্বাসনের জন্য আমার শূণ্য থেকে শুরু করতে হবে। আমরা বাংলাদেশ সরকার, আমাদের দাতাগোষ্ঠী, সহযোগী সংস্থা এবং মানবিক সহায়তাকারী সংস্থাগুলোর সহায়তায় ক্ষতিগ্রস্থদের নিরাপদ আশ্রয় ফিরিয়ে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও জানান, ‘আইওএম-এর বিভিন্ন টিম এবং সহযোগী সংস্থাগুলো অগ্নিকান্ড থেকে বেঁচে আসা মানুষদের তাৎক্ষণিক সেবা দিতে রাতের বেলা কাজ করেছিলেন। মঙ্গলবার এই পরিবারগুলো আবার তাদের নিজ নিজ আশ্রয়স্থলে ফিরতে শুরু করেছেন। আইওএম সকল ক্ষতিগ্রস্থদের জরুরি সহায়তা বিতরণ করছে। জরুরী সহায়তার মধ্যে আশ্রয় সরঞ্জামাদি এবং খাবার পানির পাশাপাশি জরুরি জিনিসপত্র যেমন মাস্ক, সাবান, কম্বল, সোলার লাইট, মশারি এবং জেরিক্যান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই জরুরি প্রয়োজনের সহায়তা কার্যক্রমে আরও ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION