বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ন
করোনা,ফাইল ছবি ভয়েস নিউজ ডেস্ক:
দেশে সকাল ৮ পর্যন্ত নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদিন ১২ হাজার ১৯৮ জনের শরীরে ভাইরাসটির সংক্রমণ শনাক্ত হয়। দেশে কভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬২৭টি পরীক্ষাগারে ৪৪ হাজার ৭৫৫টি নমুনা পরীক্ষা হয়। এ পর্যন্ত দেশে মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ১০ লাখ ৪৭ হাজার ১৫৫ জন আর মারা গেছে ১৬ হাজার ৮৪২ জন। সর্বশেষ ৭ হাজার ৬৪৬ জনের সুস্থতায় এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হওয়া কভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ৮ লাখ ৮৯ হাজার ১৬৭। সর্বশেষ নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৯দশমিক ২১ শতাংশ। মোট শনাক্তের হার ১৪ দশমিক শূন্য ৮৪ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ৯১ ও মৃত্যুহার ১ দশমিক ৬১ শতাংশ।
গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ঢাকা বিভাগেরই ৬১ জন। এছাড়া খুলনায় ৫৩, চট্টগ্রামে ৩০, রাজশাহীতে ২৭, বরিশালে ৫, সিলেটে ৫, রংপুরে ১৫ এবং ময়মনসিংহে ৭ জন মারা গেছেন।
মারা যাওয়াদের মধ্যে ১৩২ জন পুরুষ এবং ৭১ জন নারী। মৃতদের ১৫৫ জন সরকারী হাসপাতালে, ৩৪ জন বেসরকারী হাসপাতালে এবং ১৪ জন বাসায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন । এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মোট মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ১১ হাজার ৭৮২ জন এবং নারী ৫ হাজার ৬০ জন।
বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ১১৮ জনের বয়স ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের ৩৯, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ২৮, ৩১ থেকে ৪০ বছরের ১২ এবং ২১ থেকে ৩০ বছরের ৬ জন রয়েছেন।
কোনো দেশে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্ত ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা হয়, এমনটি বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তবে বাংলাদেশে বেশ কয়েকদিন ধরে দৈনিক শানক্তের হার ৩০ শতাংশে রয়েছে।
গত ৮ মে দেশে নভেল করোনাভাইরাসের ডেল্টা ধরনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। অত্যন্ত সংক্রামক এ ধরনের বিস্তৃতির পর থেকে দেশে দৈনিক শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় ২২ জুন থেকে সাতদিনের জন্য ঢাকাকে সারা দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন রাখার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এতে পার্শ্ববর্তী চারটি জেলাসহ মোট সাতটি জেলায় জরুরি সেবা ছাড়া সব ধরনের চলাচল ও কার্যক্রম ৩০ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়। পরে ১ জুলাই শুরু হয়েছে সারা দেশে সর্বাত্মক বিধিনিষেধ, বন্ধ রয়েছে সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। এ বিধিনিষেধ ১৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
ভয়েস/জেইউ।