বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

ক্যারিয়ারের সপ্তম ব্যালন ডি’অর জিতলেন মেসি

খেলাধুলা ডেস্ক:

একেতে করোনাভাইরাসের থাবা, তারপর আবার দলবদল। সবমিলিয়ে বছরটা তেমন ভালো যায়নি লিওনেল মেসির। তবে ২০২১ সালের শেষটা আনন্দ ও উৎসবেরেই হলো মেসির। ক্যারিয়ারের সপ্তম ব্যালন ডি’অর জিতলেন তিনি।

প্যারিসের থিয়েখ দু শাতেলে জমকালো অনুষ্ঠানে শেষভাগে এসে ব্যালন ডি’ অর ট্রফি জয়ীর নাম ঘোষণা করা হলো। যা ধারণা করা হয়েছিল সেটাই হয়েছে। লিওনেল মেসির হাতেই উঠেছে সপ্তমবারের মতো এই ট্রফি! ফ্রান্স ম্যাগাজিনের জরিপে ২০১২ সালে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন ৩৪ বছর বয়সী এ তারকা।

ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিনের দেওয়া গত বছরের সেরা খেলোয়াড়ের এ পুরস্কার জয়ের দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন পিএসজির আর্জেন্টাইন এ তারকা। রবার্ট লেফানডভস্কি এই পুরস্কার জয়ে ছিলেন মেসির নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী। লড়াইটা শুধু এই দুজনের মধ্যেই দেখেছেন বেশির ভাগ বিশ্লেষক।

শেষ পর্যন্ত ভোটাভুটিতে লেফানডভস্কিকে হারিয়ে নিজের সর্বোচ্চসংখ্যক ব্যালন ডি’অর জয়ের রেকর্ডকে আরও এক ধাপ উঁচুতে নিয়ে গেলেন মেসি।

সাংবাদিকদের ভোটে মেসি পিছনে ফেলেছেন রবার্ত লেভানদস্কি, কিলিয়ান এমবাপ্পে, করিম বেনজেমা, ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো কিংবা জর্জিনহোর মতো তারকাকে। আর রোনালদোর সঙ্গে তার ব্যবধান আরও বাড়লো। পর্তুগাল তারকা জিতেছেন ৫ বার।

এবার আসি বছরটা কেন স্বপ্নের মতো যায়নি, সেই প্রসঙ্গে। ২১ বছরের সম্পর্ক শেষ হয়ে গেছে বার্সেলোনার সঙ্গে। কাঁদতে কাঁদতে বিদায় বলেছেন প্রিয় ন্যু ক্যাম্পকে। মেসি কেঁদেছিলেন আরও একদিন। ১৪ জুলাই। ব্রাজিলের মারাকানায় যেদিন তাদেরই হারিয়ে জিতেছিলেন আরাধ্য আন্তর্জাতিক শিরোপা।

দেশকে ২৮ বছর পর এনে দিয়েছিলেন কোপা আমেরিকা শিরোপা। ওই টুর্নামেন্টে মাঠে ছিলেন ৬৩০ মিনিট। ৪ গোল ও ৫ অ্যাসিস্ট করে হয়েছিলেন টুর্নামেন্টসেরাও। ধুঁকতে থাকা বার্সেলোনাকেও জিতিয়েছিলেন কোপা শিরোপা, লা লিগায় করেছিলেন তৃতীয়ও। ক্লাবটির হয়ে লা লিগাতেই করেছেন ৩০ গোল।

এখন সবচেয়ে বেশি ব্যালন ডি’অর যে মেসির- এটি বোধ হয় বলাই বাহুল্য। এখনও খেলছেন এমন খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্যালন আছে কেবল একজনের, লুকা মদ্রিচ একবারই জিতেছিলেন ২০১৮ সালে।

আগের ছয়বার মেসি এই পুরস্কার জিতেছেন- ২০০৯, ২০১০, ২০১১, ২০১২, ২০১৫ ও ২০১৯ সালে। সবগুলোই বার্সেলোনায় থাকতে। এক বছর বিরতি দিয়ে আবারও জিতলেন এই ট্রফি। এখন তিনি পিএসজির।

বারের ব্যালন ডি’অরের আলোচনায় নেই রোনালদো। জাতীয় দল কিংবা ক্লাব ‍ফুটবলে সময়টা খুব একটা ভালো যায়নি তার। নেইমারও খুব একটা আলোচনায় নেই। পোলিশ তারকা লেভানদভস্কি ও ইতালিকে ইউরো জেতানো জর্জিনহো ছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। তবে বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে গত মৌসুমের শুরু থেকে ৬০ ম্যাচে ৭৩ গোল করা লেভানদভস্কি পেয়েছেন প্রথমবারের মতো প্রবর্তিত সেরা স্ট্রাইকারের পুরস্কারটি। দ্বিতীয় হয়েছেন পোলিশ তারকাই। ‍তৃতীয় চেলসির ইতালিয়ান মিডফিল্ডার জর্জিনহো। চতুর্থ ও পঞ্চম ফ্রান্সের দুই তারকা করিম বেনজেমা ও এনগোলা কন্তে।

স্পেন ও বার্সেলোর মিডফিল্ডার পেদ্রি হয়েছেন সেরা তরুণ খেলোয়াড়। ইতালির গোলকিপার জিয়ানলুইজি দোনারুম্মা সেরা গোলকিপারের পুরস্কার পেয়েছেন।মেয়েদের মধ্যে ব্যালন ডি’অর জিতেছেন স্পেন ও বার্সেলোনার মিডফিল্ডার আলেকজিয়া পিউতেলাস। ইংলিশ ক্লাব চেলসি অন্যদের টপকে সেরা হয়েছে।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION