বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :

উদ্বোধনের আগেই কুতুবদিয়া পাড়ায় পানিতে ভেসে গেল আস্ত সেতু

বলরাম দাশ অনুপম:
উদ্বোধন হওয়ার আগেই পানিতে ভেসে গেল আস্ত একটা সেতু। কক্সবাজার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কুতুবদিয়া পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। অথচ তার পাশে অক্ষত আছে জাইকার নির্মাণাধীন আরেকটি সেতু। এতে স্থানীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মান নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আতিকুল্লাহ কোম্পানি জানান, ‘পানিতে ভেসে যাওয়া ব্রিজটি নির্মাণে ঠিকাদার কোনো রড ব্যবহার করেনি। বুধবার (১৭ জুন) বিকেল চারটার দিকে ব্রিজটি ভেঙে ভেসে যাওয়ার খবরে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। গিয়ে দেখি অর্ধেক অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। যতটুকু অবশিষ্ট ছিল সে অংশে আমরা কোনো রডের ব্যবহার দেখিনি। শুধু সিমেন্ট আর ইট-বালির নির্মাণ দেখলাম।’

তিনি আরও জানান, ‘মাত্র কয়েকদিন আগে সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। সংযোগ সড়ক তৈরির কাজ শেষ করে সামনের মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সেতু উদ্বোধন করার কথা আমরা জানতাম।’

স্থানীয়দের অভিযোগ, কাউন্সিলর এসআইএম আক্তার কামাল আজাদের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করেছে। অথচ তার মাত্র ৩০ থেকে ৪০ ফুট দূরে জাপানের দাতা সংস্থা জাইকার অর্থায়নে নির্মাণাধীন ব্রিজটি অক্ষত আছে। স্থানীয় কাউন্সিলর তার প্রভাব খাটিয়ে মানহীন কাজ পৌরসভাকে বুঝিয়ে দেওয়ার আয়োজন করলো। তার আগেই প্রকৃতি তার বিচার করলো।

দরপত্রে সেতুটির নির্মাণ কাজ ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এসআইএম আক্তার কামাল আজাদ পেয়েছিলেন বলে জানা গেছে। তবে কাজ নিজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান করার বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘সাগরের পানি ব্রিজের গোড়ায় যাতে আসতে না পারে সে জন্য আমরা একটা বাঁধ তৈরি করে পানি আটকে রেখেছিলাম। কিন্তু টানা বৃষ্টিতে বাঁধের ভেতরের অংশে সাত-আট ফুট পানি জমে যায়। আটকে থাকা পানি নিষ্কাষনে বাঁধের একটা অংশ আমরা কেটে দিই। এতে প্রচণ্ড স্রোত সৃষ্টি হয়ে সেতুটি ভেঙে যায়।’

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION