রবিবার, ২৮ Jun ২০২৬, ০৯:২২ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

সন্ত্রাসীদের ভয়ে থাইংখালীতে ৭শ’ পরিবার নিরাপত্তাহীনতায়

এম আর খোকন, সীমান্ত এলাকা থেকে ফিরে:
কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের থাইনখালীর ঘোনার পাড়ার ৭ শতাধিক পরিবার চরম নিরাপত্তা হীনতায় রয়েছে। এলাকার বহু মামলার পলাতক আসামি দুর্ধর্ষ সন্তাসীদের ভয়ে অনেকের ছেলে মেয়েদের স্কুলে যাওয়া আসা নিয়েও শংকিত রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ চিহ্নিত সন্রাসীরা স্থানীয় বাসিন্দা হলেও তারা রোহিঙ্গা সন্রাসীদের সাথে মিলে অতি সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক ক্যাম্পের মাঝি খুনের ঘটনার পর স্থানীয় এসব মানুষের মাঝে ভয়ভীতি আরও বেড়েছে।
উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালীর ঘোনার পাড়ার রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পের পাশেই রয়েছে ৭শতাধিক স্থানীয় পরিবারের বসতি। এই এলাকার চিহৃিত সন্ত্রাসী রাসেল আক্তার, নুরুল হাকিম প্রকাশ মনিয়াগং। কতিথ আছে স্থানীয় চেয়ারম্যানের সাথে এসব সন্রাসীদের মধ্যে অনেকটা যুগসুত্র থাকায় তারা বেপরোয়া হয়ে উঠছে তারা। রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও তার আশপাশের এলাকায় প্রতিদিন কোন না কোন সময়ে ছিনতাই, ডাকাতি, অপহরণ, ইয়াবাসহ নানান ধরনের মাদকের চালান আনা নেয়ার ঘটনাসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত করছে ৭/৮ জন সন্রাসী।
ভুক্তভোগী গ্রামবাসীরা জানান, অপরাধের ঘটনায় কেউ ধরা পড়ে মামলা হলে ঐ মামলার স্বাক্ষীদের চড়াও হয় আসামীরা। অনুসন্ধানে জানা গেছে সাম্প্রতিক সময়ে রাসেল আক্তার বিজিবির হাতে অস্ত্রসহ ধরা পড়ে। ওই মামলায় ঘোনার পাড়ার আবুল কালামসহ কয়েকজনকে স্বাক্ষী করা হলে এতে গত ৩০ জুলাই আসামি রাসেল আক্তারগং স্বাক্ষী আবুল কালাম ও তার ভাই তোফায়েলকে একইদিনে দা দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এর পর থেকেই পুরো এলাকা জুড়ে প্রকাশ্যে বীরদর্পে বিচরণ করে এসব সন্রাসীরা। জনপ্রতিনিধি ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে এ ঘটনার প্রতিকার চেয়েও কোন ফল পায়নি অসংখ্য ভুক্তভোগী। এক পর্যায়ে নিজ গ্রামেই ক্যাম্পের কাঁটাতার বেষ্টনীর পাশেই সড়কে প্রতিবাদে মানববন্ধন করে ভুক্তভোগী বহু নারী পুরুষ।
অসংখ্য ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় চেয়ারম্যান গফুর উদ্দীন চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান কাঁটাতারের ভিতরে ৩/৪শত পরিবার রয়েছে তারও রোহিঙ্গা সন্রাসীদের অত্যাচারে অতিষ্ট। তবে কোন অপরাধীর সাথে তার যুগসুত্র নাই বলে দাবি করেন তিনি। এদিকে ঐ রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পে দায়িত্বে নিয়োজিত এপিবিএন ৮ এর সহকারী পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ
বলেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও স্থানীয় হোষ্ট কমিউনিটির মাঝে আতংক রোধ করে স্বস্তি ফেরাতে চিহ্নিত সন্রাসীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি জানান ইতিমধ্যে ক্যাম্পের মাঝি খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বেশ কয়েক জনকে আটক করা হয়েছে।
ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION