শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২০ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
ইনানীতে গ্যাসের সঙ্গে তেলও বেরিয়ে আসছে, আরও ১৫ দিন জ্বলবে আগুন-বাপেক্স ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু ইনানীতে ২ দিন ধরে জ্বলছে নলকূপ থেকে ওঠা গ্যাসের আগুন: ২২ কিলোমিটার এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সাংবাদিক আবদুল আজিজের পিতার প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী আজ ইনানীতে গভীর নলকূপ খননের সময় নির্গমন গ্যাসের আগুন: আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ছেলের হাতে বাবা খুন ঘূর্ণিঝড় অর্ণবে রূপ নিয়েছে গভীর নিম্নচাপটি সেন্টমার্টিন ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খোলা প্রতিপক্ষ ফুটবলারের ওপর রাগ কমছে না নেইমারের, পাল্টা বক্তব্য নেস্তরের রামুর রশিদ নগর ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার: চুরির ৯৬ লাখ টাকা ভাগ নেওয়ার অভিযোগ

সৈকতে গোসল করতে নেমে এক পর্যটকের মৃত্যু

টানা তিনদিনের ছুটিতে কক্সবাজার সৈকতে লাখো পর্যটকের আগমন।

ভয়েস প্রতিবেদক:
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে গোসলে নেমে এক পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুর ২ টায় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন।
মৃত্যু হওয়া মোহাম্মদ শাহজাহান (৪০) চট্টগ্রাম শহরের পাঁচলাইশ থানার শোলকবহর এলাকার বাসিন্দা আব্দুল খালেকের ছেলে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহীন জানান মঙ্গলবার সকালে মোহাম্মদ শাহজাহান পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কক্সবাজার বেড়াতে আসেন। দুপুরে সৈকতের লাবণী পয়েন্ট সাগরে তারা গোসলে নামেন। এতে শাহজাহান টিউব নিয়ে সাগরে কিছুটা দূরে চলে যান। গোসলের এক পর্যায়ে শাহজাহানের হাত থেকে টিউবটি ছিটকে যায়। এসময় তাকে ভেসে যায়। তাৎক্ষণিক স্থানীয় লাইফগার্ড কর্মিরা তাকে মুমূর্ষাবস্থায় উদ্ধার করেন।
পরে শাহজাহানকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।
শাহীন জানান, মৃতের লাশ কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে।
ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION