শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু ইনানীতে ২ দিন ধরে জ্বলছে নলকূপ থেকে ওঠা গ্যাসের আগুন: ২২ কিলোমিটার এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সাংবাদিক আবদুল আজিজের পিতার প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী আজ ইনানীতে গভীর নলকূপ খননের সময় নির্গমন গ্যাসের আগুন: আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ছেলের হাতে বাবা খুন ঘূর্ণিঝড় অর্ণবে রূপ নিয়েছে গভীর নিম্নচাপটি সেন্টমার্টিন ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খোলা প্রতিপক্ষ ফুটবলারের ওপর রাগ কমছে না নেইমারের, পাল্টা বক্তব্য নেস্তরের রামুর রশিদ নগর ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার: চুরির ৯৬ লাখ টাকা ভাগ নেওয়ার অভিযোগ অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে নিম্নচাপটি, কবে কোথায় আঘাত

কক্সবাজারে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে

রোহিঙ্গা ক্যাম্প,ফাইল ছবি

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত কক্সবাজারে মোট ১৩ হাজার ৭৩৭ জন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। তার মধ্যে ১১ হাজার ২০৭ জনই রোহিঙ্গা। শতকরা হিসাবে যা মোট আক্রান্তের ৮১ দশমিক ৫৮ ভাগ।

এ ছাড়া চলতি বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে ১১ জন রোহিঙ্গা। আর গত ৭ দিনে জেলায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ২৭৬ জন। তার মধ্যে রোহিঙ্গা ১ হাজার ৮৩০ জন।

মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে দেওয়া এক তথ্য বিবরণী বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. শাহ ফাহিম আহমদ ফয়সাল জানান, ডেঙ্গু আক্রান্ত বিবেচনায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও তার আশেপাশের এলাকা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১, (পশ্চিম), ১ (পূর্ব), ৩, ৪, ৯, ১৭ নম্বর ক্যাম্পে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত পাওয়া গেছে ৩ নম্বর ক্যাম্পে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের স্বাস্থ্য সমন্বয়ক ডা. আবু তোহা মো. আর. হক ভূঁইঞা বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ঘনবসতি, পরিচ্ছন্ন নালা, যেখানে সেখানে পানি জমে থাকার কারণে স্বাভাবিকভাবে মশার প্রজনন থাকে। যেখানে আগে থেকেই ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি। তবে বৃষ্টি কমে যাচ্ছে। ফলে ডেঙ্গু আক্রান্তও কমে যাবে।

২০২২ সালে কক্সবাজারে মোট ১৯ হাজার ২৩১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল। তার মধ্যে ১৫ হাজার ৬৩৬ জন রোহিঙ্গা ও ৩ হাজার ৫৮৫ জন স্থানীয়।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION