বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
টাইব্রেকারে চকরিয়াকে হারিয়ে আন্তঃউপজেলা গোল্ডকাপে চ্যাম্পিয়ন রামু শুরু হচ্ছে চ্যাম্পিয়নস লিগ, কে জিতবে শিরোপা দেব-শুভশ্রী এক যুগ পর পর্দায় আল্লাহর সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকাই মুমিনের প্রশান্তি হিজড়া ‘গুরুমাকে’ হত্যা করে আরেক নেত্রীর ঘরে আশ্রয়, জানালেন খুনের কারণ উখিয়া থানা ৪ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার লাভ: পুরস্কার নিচ্ছেন ওসি আতিকুর রহমান উখিয়ায় ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের অগ্রাধিকার এখন আর চলচ্চিত্র নয় কেন? আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির ক্যারিয়ারের ৬টি স্মরণীয় ঘটনা আগে গোল দিয়েও মালয়েশিয়াকে হারাতে পারলো না বাংলাদেশের মেয়েরা

কোরবানির পশু থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগোষ্ঠী

ভয়েস প্রতিবেদক:

কোরবানির পশু থেকে বঞ্চিত হচ্ছে রোহিঙ্গাদের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজারের স্থানীয় বাসিন্দারা। যেখানে ৩ হাজার কোরবানির গরুর মধ্যে কক্সবাজারের স্থানীয় বাসিন্দাদের ৯’শ গরু বরাদ্দ থাকার কথা; সেখানে পেয়েছে মাত্র ২০০টি। ফলে রোহিঙ্গাদের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ স্থানীয় জনগোষ্ঠী বঞ্চিত হচ্ছে কোরবানির গরু থেকে।

কিছু এনজিও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জদের সাথে হাত মিলিয়ে এসব অপকর্ম করছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধিরা। এই জন্য তারা শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের অভিযোগ, প্রতিবছর কোরবানির সময় গরু নিয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জঙ্গী কানেকশনের তৎপরতা বেড়ে যায়। এই কারনে বিভিন্ন এনজিও ক্যাম্প ইনচার্জদের সাথে হাত মিলিয়ে সরাসরি ক্যাম্পে গরু ছাগল বিতরণ করে। তাছাড়া কোন জবাবদিহিতা না থাকার কারণে রুগ্ন ও কোরবানির অনুপযুক্ত গরু কৌশল বিতরণ করা হয়। যদিও এই জঙ্গী কানেকশন রোধে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে এই কোরবানির পশু বিতরণ করার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু এসব নিয়মের কোন তোয়াক্কায় করা হচ্ছে না।

তারা আরও অভিযোগ করেন, এই বছর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৩ হাজার পশু বিতরণ করা হলেও অনুমোদন নিয়েছে ১ হাজারেরও কম। ফলে কোরবানির গরু থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে।

এ ব্যাপারে অনুমোদন ছাড়া বিতরণ করা তুর্কি এনজিও সংস্থা ‘দাইয়িনাত’ এর এক কর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কোরবানির পশু শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের অনুমোদন নিয়ে বিতরণ করলে স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি প্রয়োজন পড়ে না।

অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছু দ্দৌজা বলেন,“প্রতিবছর কোরবান আসলে এ ধরণের অভিযোগ করা হয়। কিন্তু এ ধরণের অভিযোগের কোন সত্যতা নেই। কারণ কোরবানির পশু বিতরণের ক্ষেত্রে এনজিও সংস্থাগুলোকে জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিতে হয়। আবার এটি উপজেলা প্রশাসন তদারকি করে। আর জেলা প্রশাসনের অনুমতি না পেলে এনজিওগুলোও অর্থ বরাদ্দ পায় না। সুতরাং এখানে এনজিও সংস্থা ও ক্যাম্প ইনচার্জদের জড়িত থাকার প্রশ্নই আসে না। উখিয়ার কিছু জনপ্রতিনিধি আছে; যারা এই কোরবানিকে কেন্দ্র করে অবৈধ ব্যবসা করার চিন্তা করে। তারাই এসবের সাথে জড়িত।”

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION