মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৩ অপরাহ্ন
Barcelona's Argentinian forward Lionel Messi (L) and Barcelona's Spanish defender Gerard Pique (R) attend a training session at the Joan Gamper training ground in Sant Joan Despi in the outskirts of Barcelona on February 29, 2020 on the eve of the Spanish League football match between Real Madrid and Barcelona. (Photo by PAU BARRENA / AFP) খেলাধুলা ডেস্ক:
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রকোপ কাটিয়ে অনেকটা স্বাভাবিক জীবনে ফিরছে স্পেন। অনুশীলনে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে লা লিগার ক্লাবগুলো। ব্যক্তিগত পর্যায়ে প্র্যাকটিস শুরুর আগে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী অন্যান্য ক্লাবের মতো করোনাভাইরাস টেস্ট দিতে হচ্ছে বার্সেলোনা খেলোয়াড়দেরও।
বার্সেলোনা ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিজেদের অনুশীলন মাঠে বুধবার মেসিদের কভিড-১৯ টেস্ট হবে।
রিপোর্ট হাতে আসার পরই আলাদাভাবে নিজেদের মতো করে অনুশীলনে নামার অনুমতি পাবে খেলোয়াড়রা।
লা লিগা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জুনের দিকে শীর্ষ দুই লিগের খেলা পুনরায় শুরু করার পরিকল্পনা তাদের। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে মার্চ থেকে বন্ধ স্পেনে সব ধরনের ফুটবল।
খেলোয়াড় ও স্টাফদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে পুরোদমে খেলায় ফেরা নিয়ে স্পেনের শীর্ষ লিগ কর্তৃপক্ষকে একটি প্রটোকল নির্ধারণ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তাতে খেলোয়াড়, কোচ ও স্টাফদের করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক।
কভিড-১৯ পরীক্ষায় ফল নেগেটিভ আসলেও শুরুতেই দলীয়ভাবে অনুশীলনে নামতে পারবে না ক্লাবগুলো। খেলোয়াড়দের অনুশীলন করতে হবে ব্যক্তিগতভাবেই।
নির্দেশনায় অনুযায়ী করোনা পরিস্থিতি দুই সপ্তাহ পর্যালোচনাপূর্বক খেলোয়াড়দের ছোট ছোট দলে অনুশীলন শুরু করার অনুমতি দেওয়া হবে। পরিস্থিতি ভালোর দিকে থাকলে শেষ ধাপে থাকবে পুরো অনুশীলন ও প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলার নির্দেশনা।
করোনায় আক্রান্ত ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে স্পেন অন্যতম। আক্রান্তের তালিকায় বিশ্বে তাদের অবস্থান দ্বিতীয়, ২ লাখ ১৯ হাজার। মৃত্যুতে চতুর্থস্থানে আছে দেশটি, ২৫ হাজার ৬০০ ছাড়িয়েছে।
তবে গত কিছুদিন ধরে স্পেনে করোনার প্রকোপ কমতির দিকে। ফলে লকডাউনের শিথিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। তাতে খেলাধুলাও মাঠে গড়ানোর সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
করোনার কারণে ব্যাপক আর্থিক সংকটে পড়েছে লা লিগার ক্লাবগুলো। বার্সেলোনা ও আতলেতিকোর মতো ক্লাবও খেলোয়াড় ও স্টাফদের ৭০ শতাংশ বেতন কম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ভয়েস/আআ