মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
হিজড়া ‘গুরুমাকে’ হত্যা করে আরেক নেত্রীর ঘরে আশ্রয়, জানালেন খুনের কারণ উখিয়া থানা ৪ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার লাভ: পুরস্কার নিচ্ছেন ওসি আতিকুর রহমান উখিয়ায় ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের অগ্রাধিকার এখন আর চলচ্চিত্র নয় কেন? আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির ক্যারিয়ারের ৬টি স্মরণীয় ঘটনা আগে গোল দিয়েও মালয়েশিয়াকে হারাতে পারলো না বাংলাদেশের মেয়েরা নবম পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন চলন্ত বাসে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ফেলে দেওয়া হয় ৪০ কিলোমিটার দূরে লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে জর্ডানে পাল্টা হামলা ইরানের কক্সবাজারে বালিয়াড়ি ভরাট করে বাঁধ নির্মাণ: প্রকল্প পুনর্বিবেচনার আহ্বান টিআইবির

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়ের কাছে হার

খেলাধুলা ডেস্ক:

শততম টি-টোয়েন্টি জয়ে রাঙালেও দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। সফরে এই প্রথমবার তাদের কোনও ম্যাচে হারালো জিম্বাবুয়ে। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ হেরেছে ২৩ রানে। সিরিজে স্বাগতিকরা সমতায় (১-১) ফেরায় শেষ ম্যাচটি হয়ে থাকলো সিরিজ নির্ধারণী।

দুই ওপেনার ফিরে গেলেও বাংলাদেশ মূলত বিপদে পড়ে যায় সাকিব ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের বিদায়ে। দলীয় ৪৫ ও ৫২ রানে বামহাতি ওয়েলিংটন মাসাকাদজার ঘূর্ণিতেই সাজঘরে ফেরেন দুজন। তাদের বিদায়ের পরই কক্ষপথ থেকে ছিটকে যায় সফরকারী দল। সোহানের বিদায়ে ৬ উইকেট পড়ে গেলে দলকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তোলার একটা চেষ্টা দেখা গিয়েছিল অভিষিক্ত শামীম হোসেনের। এই তরুণ টিকে থাকলে একটা সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু ১৩ বলে ২৯ রানের মিনি ঝড় তুলেই থামতে হয়েছে তাকে। জংউইর বলে মাসাকাদজাকে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন তিনি।

এর পর চাপ বেড়ে যাওয়ায় সেখান থেকে আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদেশ। সাইফউদ্দিন-আফিফ জুটিতে ক্ষীণ সম্ভাবনা যাও একটা ছিল কিন্তু পাহাড় সমান চাপে সেটি শেষ হয়েছে আফিফের ২৪ রানের বিদায়ে। এর পর সাইফউদ্দিনও ১৯ রানে ও তাসকিন ৫ রানে ফিরলে ১৯.৫ ওভারে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয় ১৪৩ রানে।

৪ ওভারে ২০ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন মাসাকাদজা। ৩.৫ ওভারে ৩১ রানে ৩টি নিয়েছেন লুক জংউইও। ২৪ রানে দুটি নিয়েছেন টেন্ডাই চাতারা, ২১ রানে সমসংখ্যক শিকার ব্লেসিং মুজারাবানিরও।

জিম্বাবুয়ের দেওয়া ১৬৭ রানের লক্ষ্যে শুরু থেকেই নড়বড়ে ছিল বাংলাদেশের ব্যাটিং। প্রথম ম্যাচ জিততে দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও মোহাম্মদ নাঈম অসাধারণ ভূমিকা রাখলেও এই ম্যাচে হতাশ করেন দুজনেই। ১৭ রানে ফিরে যান তারা।

দ্রুত দুই উইটেট পড়ে যাওয়ায় রান তোলায় মনোযোগী হয়েছিলেন মেহেদী ও সাকিব। চেষ্টাও করেছিলেন দুজন। পাওয়ার প্লেতে পর্যাপ্ত রান তুলে দিলেও সাকিব সপ্তম ওভারে বিপদ ডেকে আনেন বেশি বাইরে এসে খেলতে গিয়ে। বামহাতি স্পিনার মাসাকাদজার বলে ক্যাচ তুলে দেন কভারে। সাকিব বিদায় নেন ১০ বলে ১২ রানে।

এর পর শট খেলার লোভ সামলাতে না পেরে বিপদটা আরও বাড়িয়ে দিয়ে যান মাহমুদউল্লাহ। মাসাকাদজার বলে ক্যাচ উঠিয়ে দিয়েছেন লং অনে। টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের সংগ্রহ ছিল মাত্র ৪ রান।

গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অভিজ্ঞ দুই ক্রিকেটারের বিদায়ের পর জয়ের পথটা আরও কঠিন করে দিয়ে যান মেহেদী। সেই মাসাকাদজার স্পিনে শট খেলার তাড়নায় তিনি ক্যাচ উঠিয়ে দিয়েছেন লং অফে। মূলত ঝটপট এই তিন উইকেট পতনই পুরোপুরি সর্বনাশ ডেকে আনে পরে।

টি-টোয়েন্টিতে যে সোহানকে ঘিরে প্রত্যাশা ছিল তার ছিটেফোঁটাও দেখাতে পারলেন না দলের বিপদের সময়। ডিপ পয়েন্টে তিনিও ক্যাচ তুলে ফিরেছেন মাত্র ৯ রানে।

শুরুতে জিম্বাবুয়ে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে সংগ্রহ করে ৬ উইকেটে ১৬৬ রান। আগের ম্যাচে দেড়শো ছাড়ানো ইনিংস খেললেও এই ম্যাচে তারা চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়তে পেরেছে মূলত ওয়েসলে মেধেভেরের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে। তার ৫৭ বলে করা ৭৩ রানের ম্যাচসেরা ইনিংসই গড়ে দেয় বড় স্কোরের ভিত। তাতে ছিল ৫টি চার ও ৩টি ছয়। শেষ দিকে রায়ান বার্ল ১৯ বলে ৩৪ রানের ঝড়ো গতিতে ব্যাট চালালে সমৃদ্ধ হয় তাদের স্কোরবোর্ড।

ভয়েস/ জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION