সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
ইনানীতে নলকূপ খননে গ্যাস উদগীরণ, মজুত নিরূপণে জরিপ দ্বীপ প্রস্তুত: আজ সেন্টমার্টিন খুললেও যায়নি কোন জাহাজ: চূড়ান্ত অনুমতির অপেক্ষায় এইচএসসি পরীক্ষায় সাংবাদিক আজিজের মেয়ে নিশুর গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জন ইনানীতে গ্যাসের সঙ্গে তেলও বেরিয়ে আসছে, আরও ১৫ দিন জ্বলবে আগুন-বাপেক্স ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু ইনানীতে ২ দিন ধরে জ্বলছে নলকূপ থেকে ওঠা গ্যাসের আগুন: ২২ কিলোমিটার এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সাংবাদিক আবদুল আজিজের পিতার প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী আজ ইনানীতে গভীর নলকূপ খননের সময় নির্গমন গ্যাসের আগুন: আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ছেলের হাতে বাবা খুন ঘূর্ণিঝড় অর্ণবে রূপ নিয়েছে গভীর নিম্নচাপটি

আইসিজে’তে রোহিঙ্গা নিপীড়নে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলায় বাধা নেই

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

রোহিঙ্গা গণহত্যা নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে চলমান মামলায় মিয়ানমারের আপত্তি খারিজ করে দিয়েছে আন্তর্জাতিক আদালত (আইসিজে)। নেদারল্যান্ডসের হেগে কোর্টের প্রেসিডেন্ট জুয়ান ই ডোনাহো প্রায় ৫০ মিনিটের রায়ে মিয়ানমারের চারটি আপত্তি খারিজ করে দেন। এ বিষয়ে সাবেক পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক বলেন, ‘এই মামলা চলবে কি চলবে না, বা কোর্টের অধিকার আছে কি নেই, রায়ে সব পরিষ্কার হয়েছে। রায়ে বলা হয়েছে, এই মামলা চালানো নিয়ে আর সমস্যা নেই। সাবেক পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘এখন মিয়ানমার কিছুটা কোণঠাসা। মামলায় লড়া ছাড়া তাদের উপায় নেই।’

রোহিঙ্গা গণহত্যার মামলা চলবে, মিয়ানমারের আপত্তি খারিজ আদালত রায়ে উল্লেখ করে, ২০২১ সালে মিয়ানমার চারটি প্রিলিমিনারি অবজেকশন দেয় এবং এর ফলে মূল মামলা স্থগিত হয়ে যায়।

দুই পক্ষের শুনানির পর আদালত বলে, অবজেকশন ১, ৩ ও ৪ সর্বসম্মতিক্রমে খারিজ হয়েছে এবং অবজেকশন ২ ১৫-১ ভোটে খারিজ হয়েছে।

প্রথম অবজেকশনে মিয়ানমার আপত্তি করেছিল, এই মামলা পরিচালনার অধিকার কোর্টের নেই। দ্বিতীয় অবজেকশন ছিল, এ ধরনের মামলা করার জন্য কোনও দেশের সর্বজনীন ক্ষমতাও নেই। তৃতীয় অবজেকশন হচ্ছে, রোম স্ট্যাটুটের আট নম্বর আর্টিকেল এখানে প্রযোজ্য নয় এবং চতুর্থ অবজেকশন হচ্ছে গাম্বিয়া ও মিয়ানমারের মধ্যে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে কোনও বিরোধ ছিল না।

কোর্টে মিয়ানমারের মিলিটারি সরকারের অবস্থান কিছুটা দুর্বল হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘২০১৯ সালে অং সান সুচি কোর্টে দাঁড়িয়ে মিয়ানমারকে রক্ষা করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে তার দল কোর্টকে জানিয়েছে তারা রোহিঙ্গাদের সমর্থন করে। এতে মিয়ানমার সরকার দুর্বল হয়ে পড়বে।’

এক্ষেত্রে বাংলাদেশের কী করণীয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই মামলা নিয়ে আর দ্বিধাদ্বন্দ্ব নেই। ফলে এর সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমর্থন দরকার। এক্ষেত্রে বাংলাদেশকে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

২০১৯ সালে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল গাম্বিয়া।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION