শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৫ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
উখিয়া থানা ৪ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার লাভ: পুরস্কার নিচ্ছেন ওসি আতিকুর রহমান উখিয়ায় ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের অগ্রাধিকার এখন আর চলচ্চিত্র নয় কেন? আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির ক্যারিয়ারের ৬টি স্মরণীয় ঘটনা আগে গোল দিয়েও মালয়েশিয়াকে হারাতে পারলো না বাংলাদেশের মেয়েরা নবম পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন চলন্ত বাসে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ফেলে দেওয়া হয় ৪০ কিলোমিটার দূরে লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে জর্ডানে পাল্টা হামলা ইরানের কক্সবাজারে বালিয়াড়ি ভরাট করে বাঁধ নির্মাণ: প্রকল্প পুনর্বিবেচনার আহ্বান টিআইবির নারীপাচারের নয়া ফাঁদ ও শিকড়ের সংকট

সৈকতে চার শতাধিক অবৈধ ঝুপড়ী দোকান উচ্ছেদ

ভয়েস প্রতিবেদক:
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পাশে গড়ে উঠা চার শতাধিক অবৈধ ঝুপড়ী দোকান উচ্ছেদ করেছে জেলা প্রশাসন। হাইকোর্টের আদেশ বাস্তবায়নে দোকান গুলো উচ্ছেদ করা হয়।

আজ সোমবার সকাল ৯টা থেকে দূপুর সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা, কলাতলী এবং লাবনী পয়েন্টের এসব অবৈধ ঝুপড়ি দোকান উচ্ছেদ করা হয়।

এসময় উচ্ছেদ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব আবু জাফর রাশেদ, জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আমিন আল পারভেজ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান সহ অন্যান্য ম্যাজিস্ট্রেটরা উপস্থিত ছিলেন।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আমিন আল পারভেজ বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সৈকতে ৫ শতাধিক দোকানের মধ্যে ৪১৭টি উচ্ছেদ করা হয়েছে। অন্যান্য দোকানগুলো সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একটি আদেশ থাকায় পরবর্তীতে এসব দোকান গুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান বলেন, যাদের দোকান উচ্ছেদ হয়েছে তাদের প্রতি সরকার খুবই আন্তরিক। তাদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারকে জানানো হবে।

উচ্ছেদ অভিযানে পুলিশ, আনসার ব্যাটালিয়ন, ফায়ার সার্ভিস সহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখেন।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসন কার্যালয় থেকে বাৎসরিক ৮ হাজার টাকা অনুমোদন ফি নিয়ে ঝুপড়ি দোকানগুলো বসানো হয়। এ সকল ঝুপড়ি দোকানের সংখ্যা নির্দিষ্ট হলেও কয়েক বছর ধরে গণহারে অনুমোদন দেয় জেলা প্রশাসন। ফলে সৈকতের একেবারে নিচে পর্যন্ত রাতারাতি যত্রযত্র বসেছে এসব অবৈধ ঝুপড়ি দোকান। সৈকতে লাবণী থেকে কলাতলী পর্যন্ত অন্তত হাজারো ঝুপড়ি দোকান রয়েছে। এসব ঝুপড়ি দোকানের কারণে সৈকতের সৌন্দর্য্য চরমভাবে বিনষ্ট হচ্ছে। সেই সাথে পরিবেশও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION