সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
ইনানীতে নলকূপ খননে গ্যাস উদগীরণ, মজুত নিরূপণে জরিপ দ্বীপ প্রস্তুত: আজ সেন্টমার্টিন খুললেও যায়নি কোন জাহাজ: চূড়ান্ত অনুমতির অপেক্ষায় এইচএসসি পরীক্ষায় সাংবাদিক আজিজের মেয়ে নিশুর গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জন ইনানীতে গ্যাসের সঙ্গে তেলও বেরিয়ে আসছে, আরও ১৫ দিন জ্বলবে আগুন-বাপেক্স ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু ইনানীতে ২ দিন ধরে জ্বলছে নলকূপ থেকে ওঠা গ্যাসের আগুন: ২২ কিলোমিটার এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সাংবাদিক আবদুল আজিজের পিতার প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী আজ ইনানীতে গভীর নলকূপ খননের সময় নির্গমন গ্যাসের আগুন: আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ছেলের হাতে বাবা খুন ঘূর্ণিঝড় অর্ণবে রূপ নিয়েছে গভীর নিম্নচাপটি

সৈকতে চার শতাধিক অবৈধ ঝুপড়ী দোকান উচ্ছেদ

ভয়েস প্রতিবেদক:
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পাশে গড়ে উঠা চার শতাধিক অবৈধ ঝুপড়ী দোকান উচ্ছেদ করেছে জেলা প্রশাসন। হাইকোর্টের আদেশ বাস্তবায়নে দোকান গুলো উচ্ছেদ করা হয়।

আজ সোমবার সকাল ৯টা থেকে দূপুর সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা, কলাতলী এবং লাবনী পয়েন্টের এসব অবৈধ ঝুপড়ি দোকান উচ্ছেদ করা হয়।

এসময় উচ্ছেদ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব আবু জাফর রাশেদ, জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আমিন আল পারভেজ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান সহ অন্যান্য ম্যাজিস্ট্রেটরা উপস্থিত ছিলেন।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আমিন আল পারভেজ বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সৈকতে ৫ শতাধিক দোকানের মধ্যে ৪১৭টি উচ্ছেদ করা হয়েছে। অন্যান্য দোকানগুলো সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একটি আদেশ থাকায় পরবর্তীতে এসব দোকান গুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান বলেন, যাদের দোকান উচ্ছেদ হয়েছে তাদের প্রতি সরকার খুবই আন্তরিক। তাদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারকে জানানো হবে।

উচ্ছেদ অভিযানে পুলিশ, আনসার ব্যাটালিয়ন, ফায়ার সার্ভিস সহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখেন।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসন কার্যালয় থেকে বাৎসরিক ৮ হাজার টাকা অনুমোদন ফি নিয়ে ঝুপড়ি দোকানগুলো বসানো হয়। এ সকল ঝুপড়ি দোকানের সংখ্যা নির্দিষ্ট হলেও কয়েক বছর ধরে গণহারে অনুমোদন দেয় জেলা প্রশাসন। ফলে সৈকতের একেবারে নিচে পর্যন্ত রাতারাতি যত্রযত্র বসেছে এসব অবৈধ ঝুপড়ি দোকান। সৈকতে লাবণী থেকে কলাতলী পর্যন্ত অন্তত হাজারো ঝুপড়ি দোকান রয়েছে। এসব ঝুপড়ি দোকানের কারণে সৈকতের সৌন্দর্য্য চরমভাবে বিনষ্ট হচ্ছে। সেই সাথে পরিবেশও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION