বুধবার, ০৮ মে ২০২৪, ০৯:০৬ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
কক্সবাজার সদর:নুরুল আবছার বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত কুতুবদিয়া ব্যারিস্টার হানিফ বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত কক্সবাজার সদর উপজেলায় রুমানা আক্তার ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত গাজায় ইসরায়েলি বোমা হামলা, একই পরিবারের ৭ জন নিহত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী আজ ১১ বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে ডর্টমুন্ড কক্সবাজারের ৩ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহন চলছে: কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি কম টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী আটক বাংলাদেশে ৩ দিনে পালিয়ে এসেছে মিয়ানমারের বিজিপির আরো ১২৮ সদস্য পেকুয়ায় নদীতে ভাসমান অবস্থায় এক যুবকের লাশ উদ্ধার

কক্সবাজারে ছোট ভাইয়ের দায়ের কোপে বড় ভাই আহত

ভয়েস প্রতিবেদক :
কক্সবাজার সদরের খুরুশকুলে ছোট ভাইয়ের দায়ের কোপে বড় ভাই লুতু মিয়া (২৮) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। লুতু মিয়া একই এলাকার মৃত আলী আহমদের ছেলে।
পুলিশ গিয়ে ১৪৪ ধারার একটি নোটিশ দেওয়ার পরপরই বুধবার (১২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় খুরুশকুল কাউয়ারপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
লুতুর বড় ভাই শফিউল হক বলেন, ‘সকালে কাউয়ারপাড়ায় আমার জমিতে সীমানা দেয়াল নির্মাণের কাজ করছিলাম। এ সময় কক্সবাজার সদর থানার এএসআই হেলাল উদ্দিন আদালতের একটি ১৪৪ ধারা নোটিশ নিয়ে হাজির হন। এর বাদি হলেন- আমার ছোট ভাই জসিম উদ্দিন এবং বিবাদী করা হয়েছে আমাকে। বসতভিটা নিয়ে আমার ছোট ভাই জসিমের সঙ্গে আমার অপর তিন ভাইয়ের ঝামেলা হয়েছিল অনেক আগে। কয়েক মাস আগে স্থানীয় বৈঠকে তার সমাধান হয়ে যায়। কিন্তু আজ বুধবার হঠাৎ করে নোটিশ দেওয়ার কারণ বুঝিনি। এনিয়ে জসিমের সাথে আমার ভাইদের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ছোট ভাই জসিম তার সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে এসে লুতু মিয়াকে দায়ের কোপ দেয়। এ সময় সদর থানার এএসআই হেলাল উদ্দিন ঘটনাস্থল ত্যাগ করেনি। তিনি ঘটনাস্থলের একটু দূরে ছিলেন। পরবর্তীতে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় লুতুকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছে।’
জসিম উদ্দিন বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। রাস্তায় ছিলাম। লুতুর সাথে আমার ঝামেলা নেই। হয়ত নিজের কোপ নিজে খেয়ে আমার নাম জড়িয়ে দিচ্ছে।’
এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার এএসআই হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘গতকাল মঙ্গলবার আদালত থেকে ১৪৪ ধারার একটি নোটিশ থানায় পৌঁছানো হয়। নোটিশটি আজ বুধবার সকালে কাউয়ারপাড়ায় দিতে যায়। সেখানে গিয়ে বিবাদী শফিউল ও বাদির ভাগিনাকে নোটিশ দিয়ে আসি। আমি চলে আসার কিছুক্ষণ পর ঘটনা হয়েছে বলে শুনেছি।’
কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থল ত্যাগ করার আগেই কোপানোর ঘটনার বিষয়ে আমি অবগত নয়। তবে এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION